deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার

صَالِح عَلَيْهِ السَّلَامُ

সালিহ (আ.)

সামূদ জাতির নবী

আদ জাতির পর আল্লাহ যাদের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দিলেন, তারা সামূদ। পাহাড় কেটে তারা সুন্দর ঘর বানাত। তাদের কাছে এলেন তাদেরই ভাই সালিহ (আ.), আর আল্লাহ তাঁকে দিলেন এক জীবন্ত নিদর্শন: একটি উটনী। এই উটনীই হয়ে দাঁড়াল তাদের পরীক্ষা।

وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا ۚ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ ۚ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُّجِيبٌ

আর আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতেই তিনি তোমাদেরকে বসবাস করিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর আর তাঁর দিকেই ফিরে আস। নিশ্চয় আমার রব খুব কাছেই, ডাকে সাড়া প্রদানকারী।‘

সূরা হুদ ১১:৬১
৯বার নাম এসেছে কুরআনে
৪টি সূরায় আলোচনা
১১টি আয়াত এই পাতায়
২টি সহিহ হাদিস

এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।

জাতি
সামূদ, আদের পরে প্রতিষ্ঠিত (সূরা আল-আরাফ ৭:৭৪)
বসতি
হিজর, উত্তর-পশ্চিম আরব (আজকের আল-উলা অঞ্চল) (সূরা আল-হিজর ১৫:৮০, সহিহ বুখারী ৩৩৮০)
নিদর্শন
আল্লাহর উটনী (সূরা আল-আরাফ ৭:৭৩)
কুরআনে যেখানে
সূরা আল-আরাফ, হূদ, আল-হিজর, আশ-শুআরা, আন-নামল, আশ-শামস সহ কয়েকটি সূরায়
সামূদের কাছে দাওয়াত
১
📍 হিজর (উত্তর-পশ্চিম আরব)

সামূদ জাতি ও তাদের ভাই সালিহ

সামূদ ছিল আদের উত্তরসূরি জাতি। সমতলে প্রাসাদ, আর পাহাড় কেটে ঘর বানাতে তারা ছিল ওস্তাদ (সূরা আল-আরাফ ৭:৭৪)। তাদের কাছে এলেন সালিহ (আ.):

وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا ۚ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ ۚ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُّجِيبٌ

আর আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতেই তিনি তোমাদেরকে বসবাস করিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর আর তাঁর দিকেই ফিরে আস। নিশ্চয় আমার রব খুব কাছেই, ডাকে সাড়া প্রদানকারী।‘

সূরা হুদ ১১:৬১

তিনি তাদের মধ্যে আগে থেকেই সম্মানিত ছিলেন। তাই তারা আফসোস করে বলল:

قَالُوا يَا صَالِحُ قَدْ كُنتَ فِينَا مَرْجُوًّا قَبْلَ هَـٰذَا ۖ أَتَنْهَانَا أَن نَّعْبُدَ مَا يَعْبُدُ آبَاؤُنَا وَإِنَّنَا لَفِي شَكٍّ مِّمَّا تَدْعُونَا إِلَيْهِ مُرِيبٍ

তারা বলল, ‘হে সালেহ্! এর আগে তুমি ছিলে আমাদের আশাস্থল। তুমি কি আমাদেরকে নিষেধ করছ ‘ইবাদাত করতে তাদের, যাদের ‘ইবাদাত করত আমাদের পিতৃ-পুরুষেরা? নিশ্চয় আমরা বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রয়েছি সে বিষয়ে, যার প্রতি তুমি আমাদেরকে ডাকছ।’

সূরা হুদ ১১:৬২

তিনি মনে করিয়ে দিলেন, বাগান, ঝর্ণা, শস্য আর নরম খেজুর, এসব কি চিরকাল থাকবে (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৪৬-সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৪৯)? তাই সীমালঙ্ঘনকারীদের কথা মেনো না, যারা যমীনে ফাসাদ করে (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৫১, সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৫২)।

শিক্ষামানুষ যাকে ভালোবাসে, সে সত্য বললে সেই ভালোবাসাও অনেক সময় শত্রুতায় বদলে যায়। তবু সত্য বলাই নবীদের পথ।
২
📍 হিজর

আল্লাহর উটনী: এক জীবন্ত নিদর্শন

তারা নিদর্শন চাইল (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৫৪)। আল্লাহ পাঠালেন একটি উটনী, আর সালিহ (আ.) পরিষ্কার শর্ত জানিয়ে দিলেন:

وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا ۗ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ قَدْ جَاءَتْكُم بَيِّنَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ ۖ هَـٰذِهِ نَاقَةُ اللَّهِ لَكُمْ آيَةً ۖ فَذَرُوهَا تَأْكُلْ فِي أَرْضِ اللَّهِ ۖ وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

আর সামূদ জাতির নিকট তাদের ভাই সালেহকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের জন্য অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই। অবশ্যই তোমাদের নিকট তোমাদের রবের পক্ষ হতে স্পষ্ট নিদর্শন এসেছে এটি আল্লাহ্‌র উষ্ট্রী, তোমাদের জন্য নিদর্শনস্বরূপ। সুতরাং তোমরা তাকে আল্লাহ্‌র যমীনে চরে খেতে দাও এবং তাকে কোনো কষ্ট দিও না, দিলে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তোমাদেরকে পেয়ে বসবে।

সূরা আল-আরাফ ৭:৭৩

পানির ভাগও ঠিক হলো: একদিন কূপের পানি উটনীর, একদিন তাদের (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৫৫, সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৫৬)। এটা ছিল তাদের ধৈর্য আর আনুগত্যের পরীক্ষা (সূরা আল-কামার ৫৪:২৭, সূরা আল-কামার ৫৪:২৮)।

শিক্ষাআল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করা ঈমানের অংশ। পরীক্ষা অনেক সময় খুব সহজ একটি নির্দেশে লুকিয়ে থাকে।
৩
📍 হিজর

নয় দুষ্ট লোক ও উটনী হত্যা

শহরে ছিল নয়জন লোক, যারা শুধু ফাসাদ করত। তারা আল্লাহর নামে কসম খেয়ে ঠিক করল, রাতে সালিহ ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করবে, তারপর বলবে আমরা কিছু জানি না (সূরা আন-নামল ২৭:৪৮, সূরা আন-নামল ২৭:৪৯)। কিন্তু আল্লাহরও পরিকল্পনা ছিল (সূরা আন-নামল ২৭:৫০)।

তারা আগে উটনীকে হত্যা করল। কাজটা করল তাদের সবচেয়ে হতভাগা লোকটি:

كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَاهَا

সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতাবশত মিথ্যারোপ করেছিল।

সূরা আশ-শামস ৯১:১১

إِذِ انبَعَثَ أَشْقَاهَا

তাদের মধ্যে যে সর্বাধিক হতভাগ্য, সে যখন তৎপর হয়ে উঠল,

সূরা আশ-শামস ৯১:১২

فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ نَاقَةَ اللَّهِ وَسُقْيَاهَا

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বললেন, ‘আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর বিষয়ে সাবধান হও।’

সূরা আশ-শামস ৯১:১৩

فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم بِذَنبِهِمْ فَسَوَّاهَا

কিন্তু তারা তার প্রতি মিথ্যারোপ করল এবং উষ্ট্রীকে জবাই করল। ফলে তাদের পাপের জন্য তাদের রব তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে একাকার করে দিলেন।

সূরা আশ-শামস ৯১:১৪

নবী (ﷺ) একবার খুতবায় সেই লোকটির বর্ণনা দিয়েছেন: সে ছিল নিজের গোত্রে প্রভাবশালী, দুর্দান্ত, ক্ষমতাধর (সহিহ বুখারী ৪৯৪২)। লক্ষ্য করুন, হত্যা করেছে একজন, কিন্তু কুরআন বলেছে "তারা হত্যা করল"। কারণ বাকিরা রাজি ছিল।

শিক্ষাঅন্যায়ে রাজি থাকাও অন্যায়ে অংশ নেওয়া। একজনের অপরাধে চুপ থাকা পুরো সমাজকে শাস্তির যোগ্য করে।
শাস্তি ও নাজাত
৪
📍 হিজর

তিন দিনের অবকাশ, তারপর বিকট শব্দ

উটনী হত্যার পর তারা উল্টো চ্যালেঞ্জ দিল: সত্যিকারের রাসূল হলে শাস্তি নিয়ে এসো (সূরা আল-আরাফ ৭:৭৭)। সালিহ (আ.) বললেন:

فَعَقَرُوهَا فَقَالَ تَمَتَّعُوا فِي دَارِكُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ ۖ ذَٰلِكَ وَعْدٌ غَيْرُ مَكْذُوبٍ

কিন্তু তারা এটাকে হত্যা করল। তাই তিনি বললেন, ‘তোমরা তোমাদের ঘরে তিন দিন জীবন উপভোগ করে নাও। এটা এমন এক প্রতিশ্রুতি যা মিথ্যা হওয়ার নয়।’

সূরা হুদ ১১:৬৫

তিন দিন পর এল সেই আদেশ:

فَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا نَجَّيْنَا صَالِحًا وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ بِرَحْمَةٍ مِّنَّا وَمِنْ خِزْيِ يَوْمِئِذٍ ۗ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْقَوِيُّ الْعَزِيزُ

অতঃপর যখন আমাদের নির্দেশ আসল তখন আমরা সালেহ্ ও তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমাদের অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম সে দিনের লাঞ্ছনা হতে। নিশ্চয় আপনার রব, তিনি শক্তিমান, মহাপরাক্রমশালী।

সূরা হুদ ১১:৬৬

وَأَخَذَ الَّذِينَ ظَلَمُوا الصَّيْحَةُ فَأَصْبَحُوا فِي دِيَارِهِمْ جَاثِمِينَ

আর যারা যুলুম করেছিল বিকট চীৎকার তাদেরকে পাকড়াও করল; ফলে তারা নিজ নিজ ঘরে নতজানু অবস্থায় শেষ হয়ে গেল;

সূরা হুদ ১১:৬৭

এক বিকট আওয়াজ আর ভূমিকম্প (সূরা আল-আরাফ ৭:৭৮)। যেন তারা কোনো দিন সেখানে বসবাসই করেনি (সূরা হুদ ১১:৬৮)। সালিহ (আ.) তাদের নিথর বসতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন, বুকভরা ব্যথা নিয়ে বললেন:

فَتَوَلَّىٰ عَنْهُمْ وَقَالَ يَا قَوْمِ لَقَدْ أَبْلَغْتُكُمْ رِسَالَةَ رَبِّي وَنَصَحْتُ لَكُمْ وَلَـٰكِن لَّا تُحِبُّونَ النَّاصِحِينَ

এরপর তিনি তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বললেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! আমি তো আমার রবের রিসালত (যা নিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে তা) তোমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলাম এবং তোমাদের কল্যাণ কামনা করেছিলাম, কিন্তু তোমরা কল্যাণকামীদেরকে পছন্দ কর না।’

সূরা আল-আরাফ ৭:৭৯
শিক্ষাতাওবার সময় সীমিত। অবকাশ পাওয়া মানে নিরাপত্তা নয়, ফিরে আসার শেষ সুযোগ।
নবী (ﷺ)-এর যুগে
৫
📍 হিজর, তাবুকের পথে (৯ হিজরি)

শত শত বছর পর: হিজরে নবী (ﷺ)

তাবুক যুদ্ধে যাওয়ার পথে নবী (ﷺ) সাহাবিদের নিয়ে সামূদের সেই এলাকা, হিজর দিয়ে গেলেন। সাহাবিরা সেখানকার কূপ থেকে পানি তুলে আটা মেখেছিলেন। নবী (ﷺ) নির্দেশ দিলেন:

লোকেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সামূদের এলাকা হিজরে নামল। তারা সেখানকার কূপ থেকে পানি তুলল, আর সেই পানি দিয়ে আটা মাখল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ দিলেন, তোলা পানি ফেলে দাও, আর মাখা আটা উটকে খাইয়ে দাও। আর আদেশ দিলেন, যে কূপে (সালিহ আ.-এর) উটনী পানি খেতে আসত, সেখান থেকে পানি নিতে।

সহিহ বুখারী ৩৩৭৯ সহিহ বর্ণনা: আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.)

আর তিনি শিখিয়ে দিলেন, এমন জায়গা দিয়ে যেতে হয় কীভাবে:

(হিজর দিয়ে যাওয়ার সময় নবী ﷺ বললেন:) যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে, তাদের বাসস্থানে কাঁদতে কাঁদতে ছাড়া প্রবেশ কোরো না, যাতে তাদের উপর যা এসেছিল তা তোমাদের উপর না আসে। তারপর তিনি বাহনে বসেই চাদর দিয়ে মাথা ঢেকে নিলেন।

সহিহ বুখারী ৩৩৮০ সহিহ বর্ণনা: আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.)

তিনি নিজে চাদর দিয়ে মাথা ঢেকে দ্রুত উপত্যকা পার হয়ে গেলেন। ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির জায়গা পর্যটনের বিনোদন নয়, শিক্ষা আর আল্লাহর ভয়ের জায়গা।

শিক্ষাআল্লাহর গজবের জায়গা দিয়ে গেলে কাঁদুন, ভয় করুন; ঘুরে বেড়ানোর জায়গা বানাবেন না।

শেখা ও রিসোর্স

দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন

দোয়া

ক্ষমা চাওয়া ও তাওবার দিকে ডাক

وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَالِحًا ۚ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ الْأَرْضِ وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا فَاسْتَغْفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ ۚ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُّجِيبٌ ﴿٦١﴾

আর আমি সামূদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতেই তিনি তোমাদেরকে বসবাস করিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর আর তাঁর দিকেই ফিরে আস। নিশ্চয় আমার রব খুব কাছেই, ডাকে সাড়া প্রদানকারী।‘

সূরা হুদ ১১:৬১

দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।

অন্য নবীদের জীবনী

deenpedia.com · https://deenpedia.com/nabi/salih/
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpedia.com · কুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার