deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার

هُود عَلَيْهِ السَّلَامُ

হূদ (আ.)

আদ জাতির নবী

নূহ (আ.)-এর পর আল্লাহ যে জাতিকে শক্তি, সম্পদ আর বিশাল প্রাসাদ দিয়েছিলেন, তারা আদ জাতি। তারা গর্ব করে বলত, আমাদের চেয়ে শক্তিশালী কে? তাদের কাছে আল্লাহ পাঠালেন তাদেরই ভাই হূদ (আ.)-কে। তিনি একা দাঁড়িয়ে পুরো জাতিকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, আর শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করেছিলেন।

إِنِّي تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ رَبِّي وَرَبِّكُم ۚ مَّا مِن دَابَّةٍ إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا ۚ إِنَّ رَبِّي عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

আমি তো নির্ভর করি আমার ও তোমাদের রব আল্লাহ্‌র উপর; এমন কোনো জীব-জন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়াত্তাধীন নয়; নিশ্চয় আমার রব আছেন সরল পথে।

সূরা হুদ ১১:৫৬
৭বার নাম এসেছে কুরআনে
৩টি সূরায় আলোচনা
১০টি আয়াত এই পাতায়
২টি সহিহ হাদিস

এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।

জাতি
আদ, "ইরাম" যাদের সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী (সূরা আল-ফাজর ৮৯:৬-সূরা আল-ফাজর ৮৯:৮)
বসতি
আহকাফ, বালির টিলার এলাকা (সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২১); আলেমদের মতে ইয়েমেন ও ওমানের মাঝে
শাস্তি
সাত রাত আট দিনের প্রচণ্ড ঠান্ডা ঝড়ো বাতাস (সূরা আল-হাক্কা ৬৯:৬, সূরা আল-হাক্কা ৬৯:৭)
কুরআনে যেখানে
সূরা আল-আরাফ, হূদ, আশ-শুআরা, আল-আহকাফ, আল-কামার, আল-হাক্কাহ
আদ জাতির কাছে দাওয়াত
১
📍 আহকাফ (দক্ষিণ আরব)

আদ জাতি: শক্তি আর অহংকার

নূহ (আ.)-এর প্লাবনের পর মানুষ আবার ছড়িয়ে পড়ল। তাদের মধ্যে আদ জাতিকে আল্লাহ দিয়েছিলেন অসাধারণ দৈহিক শক্তি আর সমৃদ্ধি। তাদের মতো জাতি তখন আর কোথাও ছিল না (সূরা আল-ফাজর ৮৯:৮)। কিন্তু এই শক্তিই তাদের অন্ধ করে দিল:

فَأَمَّا عَادٌ فَاسْتَكْبَرُوا فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ وَقَالُوا مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً ۖ أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّ اللَّهَ الَّذِي خَلَقَهُمْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةً ۖ وَكَانُوا بِآيَاتِنَا يَجْحَدُونَ

অতঃপর 'আদ সম্প্রদায়, তারা যমীনে অযথা অহংকার করেছিল এবং বলেছিল, 'আমাদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী কে আছে?' তবে কি তারা লক্ষ্য করে নি যে, নিশ্চয় আল্লাহ, যিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী? আর তারা আমাদের নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করত।

সূরা ফুসসিলাত ৪১:১৫

প্রতিটি উঁচু জায়গায় তারা স্মৃতিস্তম্ভ বানাত, শুধু দেখানোর জন্য; মজবুত প্রাসাদ বানাত যেন চিরকাল থাকবে; আর কাউকে ধরলে নির্দয়ভাবে ধরত (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১২৮-সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৩০)।

শিক্ষাশক্তি আর সম্পদ আল্লাহর দান। যে এগুলো নিয়ে অহংকার করে, সে ভুলে যায় কে তাকে দিয়েছেন।
২
📍 আহকাফ

ভাই হূদ: এক আল্লাহর দিকে ডাক

আল্লাহ তাদের কাছে পাঠালেন তাদেরই একজনকে, তাদের "ভাই" হূদ (আ.)-কে। তাঁর প্রথম কথা সব নবীর মতোই:

وَإِلَىٰ عَادٍ أَخَاهُمْ هُودًا ۚ قَالَ يَا قَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُ ۖ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا مُفْتَرُونَ

‘আর আদ জাতির কাছে তাদের ভাই হূদকে পাঠিয়েছিলাম তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহ্‌র ‘ইবাদত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তোমরা তো শুধু মিথ্যা রটনাকারী।

সূরা হুদ ১১:৫০

তিনি কোনো পারিশ্রমিক চাননি (সূরা হুদ ১১:৫১)। তাদের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস, শক্তি আর বৃষ্টির কথা বলে বোঝালেন, ক্ষমা চাইলে আল্লাহ এগুলো আরও বাড়িয়ে দেবেন:

وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَىٰ قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِينَ

‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তারপর তাঁর দিকেই ফিরে আস। তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষাবেন। আর তিনি তোমাদেরকে আরো শক্তি দিয়ে তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন এবং তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিও না।’

সূরা হুদ ১১:৫২

তিনি মনে করিয়ে দিলেন, আল্লাহই তোমাদের নূহের জাতির পরে খলীফা বানিয়েছেন, দৈহিক গঠনে বাড়তি শক্তি দিয়েছেন (সূরা আল-আরাফ ৭:৬৯)। পশু, সন্তান, বাগান, ঝর্ণা, সবই তাঁর দান (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৩২-সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৩৪)।

শিক্ষাইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফ নয়; বৃষ্টি আর শক্তি বাড়ারও কারণ। দাওয়াতে মানুষের প্রয়োজনের ভাষায় কথা বলুন।
৩
📍 আহকাফ

একাই সবার বিরুদ্ধে: আল্লাহর উপর ভরসা

নেতারা তাঁকে নির্বোধ আর মিথ্যাবাদী বলল (সূরা আল-আরাফ ৭:৬৬)। বলল, তুমি কোনো প্রমাণ আনোনি, তোমার কথায় আমরা উপাস্যদের ছাড়ব না; আমাদের কোনো দেবতা নিশ্চয়ই তোমাকে পাগল করে দিয়েছে (সূরা হুদ ১১:৫৩, সূরা হুদ ১১:৫৪)। তখন হূদ (আ.) একা পুরো জাতির সামনে দাঁড়িয়ে যে কথা বললেন, তা ঈমানের ইতিহাসে এক অনন্য ঘোষণা:

مِن دُونِهِ ۖ فَكِيدُونِي جَمِيعًا ثُمَّ لَا تُنظِرُونِ

‘আল্লাহ্‌ ছাড়া। সুতরাং তোমরা সবাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর; তারপর আমাকে অবকাশ দিও না।

সূরা হুদ ১১:৫৫

إِنِّي تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ رَبِّي وَرَبِّكُم ۚ مَّا مِن دَابَّةٍ إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا ۚ إِنَّ رَبِّي عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

আমি তো নির্ভর করি আমার ও তোমাদের রব আল্লাহ্‌র উপর; এমন কোনো জীব-জন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়াত্তাধীন নয়; নিশ্চয় আমার রব আছেন সরল পথে।

সূরা হুদ ১১:৫৬

"তোমরা সবাই মিলে ষড়যন্ত্র করো, আমাকে একটুও সময় দিয়ো না।" একজন মানুষ একটা শক্তিশালী জাতিকে এ কথা বলতে পারেন শুধু তখনই, যখন তিনি জানেন প্রতিটি প্রাণীর কপাল আল্লাহর হাতে।

তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও বা না দাও, আমাদের কাছে সমান; আমরা শাস্তি পাব না (সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৩৬-সূরা আশ-শুআরা ২৬:১৩৮)। আর চ্যালেঞ্জ দিল: সত্যবাদী হলে শাস্তি নিয়ে এসো (সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২২)।

শিক্ষাআল্লাহর উপর ভরসা থাকলে সংখ্যায় একা হলেও ভয় নেই। সব প্রাণীর নিয়ন্ত্রণ তাঁরই হাতে।
শাস্তি ও নাজাত
৪
📍 আহকাফ

মেঘ ভেবে আনন্দ, এল ঝড়

তারপর একদিন তারা দেখল, উপত্যকার দিকে বিশাল মেঘ আসছে। দীর্ঘ খরার পর আনন্দে বলে উঠল:

فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ قَالُوا هَـٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَا ۚ بَلْ هُوَ مَا اسْتَعْجَلْتُم بِهِ ۖ رِيحٌ فِيهَا عَذَابٌ أَلِيمٌ

অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসতে দেখল তখন বলতে লাগল, ‘এ তো মেঘ আমাদেরকে বৃষ্টি দান করবে।’ না, বরং এটাই তো তা, যা তোমরা ত্বারান্বিত করতে চেয়েছ, এক ঝড়, এতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২৪

تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا فَأَصْبَحُوا لَا يُرَىٰ إِلَّا مَسَاكِنُهُمْ ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْقَوْمَ الْمُجْرِمِينَ

এটা তার রবের নির্দেশে সব কিছুকে ধবংস করে দেবে। অতঃপর তাদের পরিণাম এ হল যে, তাদের বসতিগুলো ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। এভাবে আমরা অপরাধী সম্প্রদায়কে প্রতিফল দিয়ে থাকি।

সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২৫

সাত রাত আট দিন একটানা প্রচণ্ড ঠান্ডা ঝড়ো বাতাস বয়ে গেল। কুরআন সেই দৃশ্য এঁকেছে এভাবে:

وَأَمَّا عَادٌ فَأُهْلِكُوا بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ

আর ‘আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা,

সূরা আল-হাক্কা ৬৯:৬

سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا فَتَرَى الْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَىٰ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ

যা তিনি তাদের উপর প্রবাহিত করেছিলেন সাতরাত ও আটদিন বিরামহীনভাবে; তখন আপনি উক্ত সম্প্রদায়কে দেখতেন--- তারা সেখানে লুটিয়ে পরে আছে সারশূন্য খেজুর কাণ্ডের ন্যায়।

সূরা আল-হাক্কা ৬৯:৭

যারা বলত "আমাদের চেয়ে শক্তিশালী কে", তারা পড়ে রইল খেজুর গাছের ফাঁপা কাণ্ডের মতো। নবী (ﷺ) বলেছেন, পুবালি বাতাস দিয়ে তাঁকে সাহায্য করা হয়েছে (খন্দকের যুদ্ধে), আর পশ্চিমা বাতাস দিয়ে আদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে:

পুবালি বাতাস (সাবা) দিয়ে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে, আর পশ্চিমা বাতাস (দাবূর) দিয়ে আদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

সহিহ বুখারী ১০৩৫ সহিহ বর্ণনা: ইবনু আব্বাস (রা.)

এই ঘটনার কারণেই আকাশে মেঘ বা ঝড় দেখলে নবী (ﷺ)-এর চেহারায় দুশ্চিন্তা দেখা যেত:

নবী (ﷺ) মেঘ বা বাতাস দেখলে তাঁর চেহারায় (দুশ্চিন্তার) ছাপ বোঝা যেত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, মানুষ মেঘ দেখলে খুশি হয়, বৃষ্টির আশায়; আর আপনার চেহারায় দেখি অস্বস্তি। তিনি বললেন: হে আয়েশা, এতে যে আযাব নেই, তার নিশ্চয়তা আমাকে কে দেবে? এক জাতিকে বাতাস দিয়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সেই জাতি শাস্তি দেখে বলেছিল: "এ তো মেঘ, আমাদের বৃষ্টি দেবে" (৪৬:২৪)।

সহিহ বুখারী ৪৮২৯ সহিহ বর্ণনা: উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.)
শিক্ষাআল্লাহর শাস্তি অনেক সময় আসে আনন্দের রূপ ধরে। আকাশে মেঘ দেখলে কল্যাণ চান, অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চান।
৫
📍 আহকাফ

হূদ (আ.) ও মুমিনদের নাজাত, শেষ জীবন

এই ভয়ংকর ঝড়ের মধ্যেও আল্লাহ তাঁর নবী আর তাঁর সাথের মুমিনদের রক্ষা করলেন:

وَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا نَجَّيْنَا هُودًا وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ بِرَحْمَةٍ مِّنَّا وَنَجَّيْنَاهُم مِّنْ عَذَابٍ غَلِيظٍ

আর যখন আমাদের নির্দেশ আসল তখন আমরা হূদ ও তাঁর সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে আমাদের অনুগ্রহে রক্ষা করলাম এবং রক্ষা করলাম তাদেরকে কঠিন শাস্তি হতে।

সূরা হুদ ১১:৫৮

আর আদ জাতির উপর দুনিয়াতেও লানত, আখিরাতেও (সূরা হুদ ১১:৬০)।

শিক্ষাবিপদ যত বড়ই হোক, আল্লাহ মুমিনদের আলাদা করে রক্ষা করতে পারেন।

শেখা ও রিসোর্স

দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন

দোয়া

আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসার ঘোষণা

إِنِّي تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ رَبِّي وَرَبِّكُم ۚ مَّا مِن دَابَّةٍ إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا ۚ إِنَّ رَبِّي عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ ﴿٥٦﴾

আমি তো নির্ভর করি আমার ও তোমাদের রব আল্লাহ্‌র উপর; এমন কোনো জীব-জন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়াত্তাধীন নয়; নিশ্চয় আমার রব আছেন সরল পথে।

সূরা হুদ ১১:৫৬
ক্ষমা চাওয়া ও আল্লাহর দিকে ফেরা

وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَىٰ قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِينَ ﴿٥٢﴾

‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তারপর তাঁর দিকেই ফিরে আস। তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষাবেন। আর তিনি তোমাদেরকে আরো শক্তি দিয়ে তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন এবং তোমরা অপরাধী হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিও না।’

সূরা হুদ ১১:৫২

দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।

অন্য নবীদের জীবনী

deenpedia.com · https://deenpedia.com/nabi/hud/
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpedia.com · কুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার