أَيُّوب عَلَيْهِ السَّلَامُ
আইয়ুব (আ.)
আইয়ুব (আ.)-এর নাম শুনলেই মনে আসে ধৈর্য। আল্লাহ তাঁকে সম্পদ, সন্তান আর সুস্বাস্থ্য দিয়েছিলেন, তারপর সব নিয়ে নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। বছরের পর বছর রোগে কাটিয়েও তিনি অভিযোগ করেননি, শুধু বিনয়ের সাথে দোয়া করেছেন। আল্লাহ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "আমি তাঁকে ধৈর্যশীল পেয়েছি, কত উত্তম বান্দা!"
وَخُذْ بِيَدِكَ ضِغْثًا فَاضْرِب بِّهِ وَلَا تَحْنَثْ ۗ إِنَّا وَجَدْنَاهُ صَابِرًا ۚ نِّعْمَ الْعَبْدُ ۖ إِنَّهُ أَوَّابٌ
'আর (আমি তাকে আদেশ করলাম) একমুঠ ঘাস নিন এবং তা দ্বারা আঘাত করুন এবং শপথ ভঙ্গ করবেন না।' নিশ্চয় আমরা তাকে পেয়েছি ধৈর্যশীল। কতই উত্তম বান্দা তিনি! নিশ্চয় তিনি ছিলেন আমার অভিমুখী।
এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।
- পরিচয়
- ওহীপ্রাপ্ত নবী (সূরা আন-নিসা ৪:১৬৩, সূরা আল-আনআম ৬:৮৪)
- বংশ
- ইবরাহীম (আ.)-এর বংশধর (সূরা আল-আনআম ৬:৮৪); ইতিহাসবিদদের মতে ইসহাক (আ.)-এর ছেলে ঈসের বংশে
- বিশেষ গুণ
- ধৈর্য ও আল্লাহর দিকে ফেরা (সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৪)
- কুরআনে যেখানে
- সূরা আন-নিসা, আল-আনআম, আল-আম্বিয়া ও সোয়াদ
পরিচয় ও প্রাচুর্যের জীবন
আল্লাহ যাঁদের কাছে ওহী পাঠিয়েছেন, সেই নবীদের তালিকায় আইয়ুব (আ.)-এর নাম আছে:
إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلَىٰ نُوحٍ وَالنَّبِيِّينَ مِن بَعْدِهِ ۚ وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَعِيسَىٰ وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهَارُونَ وَسُلَيْمَانَ ۚ وَآتَيْنَا دَاوُودَ زَبُورًا
নিশ্চয় আমরা আপনার নিকট ওহী প্রেরণ করেছিলাম, যেমন নূহ ও তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি ওহী প্রেরণ করেছিলাম, আর ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়া’কূব ও তার বংশধরগণ, ঈসা, আইউব, ইউনুস, হারূন ও সুলাইমানের নিকটও ওহী প্রেরণ করেছিলাম এবং দাউদকে প্রদান করেছিলাম যাবূর।
সূরা আল-আনআমে তাঁকে ইবরাহীম (আ.)-এর বংশধরদের মধ্যে গণ্য করা হয়েছে, দাউদ, সুলাইমান, ইউসুফ, মূসা ও হারূন (আ.)-এর সাথে (সূরা আল-আনআম ৬:৮৪)।
দীর্ঘ পরীক্ষা
তারপর এল কঠিন পরীক্ষা: সম্পদ চলে গেল, সন্তানরা মারা গেল, শরীরে দীর্ঘ রোগ। কুরআন বিপদের বিবরণ দেয়নি, দিয়েছে তাঁর দোয়ার ভাষা:
وَاذْكُرْ عَبْدَنَا أَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الشَّيْطَانُ بِنُصْبٍ وَعَذَابٍ
আর স্মরণ করুন, আমাদের বান্দা আইউবকে, যখন তিনি তার রবকে বলেছিলেন, ‘শয়তান তো আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্টে ফেলেছে',
তিনি কষ্টকে শয়তানের দিকে সম্পর্কিত করেছেন, আল্লাহর দিকে নয়। এটা নবীদের আদব: কল্যাণ আল্লাহর দিকে, কষ্ট নিজের বা শয়তানের দিকে।
বিনয়ী দোয়া, দ্রুত সাড়া
সূরা আল-আম্বিয়ায় তাঁর দোয়ার আরেকটি রূপ এসেছে। লক্ষ করুন, তিনি সরাসরি "আমাকে সুস্থ করুন" বলেননি; নিজের অবস্থা জানিয়ে আল্লাহর রহমতের কথা বলেছেন:
وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
আর স্মরণ করুন আইয়ূবকে, যখন তিনি তার রবকে ডেকে বলেছিলেন আমি তো দুক্ষি-কষ্টে পড়েছি, আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু!’
আল্লাহ সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিলেন:
فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَكَشَفْنَا مَا بِهِ مِن ضُرٍّ ۖ وَآتَيْنَاهُ أَهْلَهُ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَىٰ لِلْعَابِدِينَ
অতঃপর আমরা তার ডাকে সাড়া দিলাম, তার দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিলাম, তাকে তার পরিবার-পরিজন ফিরিয়ে দিলাম এবং আরো দিলাম তাদের সংগে তাদের সমপরিমাণ, আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ রহমতরূপে এবং ইবাদাতকারীদের জন্য উপদেশস্বরূপ।
সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৪
"যিকরা লিল আবিদীন", ইবাদতকারীদের জন্য উপদেশ। অর্থাৎ যে-ই বিপদে পড়বে, তার জন্য আইয়ুব (আ.) আদর্শ।
পায়ের আঘাতে ঝরনা
আরোগ্যের পদ্ধতিও ছিল আশ্চর্য। আল্লাহ বললেন:
ارْكُضْ بِرِجْلِكَ ۖ هَـٰذَا مُغْتَسَلٌ بَارِدٌ وَشَرَابٌ
(আমি তাকে বললাম) ‘আপনি আপনার পা দ্বারা ভূমিতে আঘাত করুন, এই তো গোসলের সুশীতল পানি ও পানীয়।
তিনি মাটিতে পা দিয়ে আঘাত করলেন, ঠান্ডা পানির ঝরনা বের হলো। সেই পানিতে গোসল করলেন, পান করলেন, আর আল্লাহ তাঁর ভেতরের ও বাইরের সব রোগ দূর করে দিলেন। তারপর ফিরিয়ে দিলেন পরিবার, সাথে আরও তাদের মতো:
وَوَهَبْنَا لَهُ أَهْلَهُ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنَّا وَذِكْرَىٰ لِأُولِي الْأَلْبَابِ
আর আমরা তাকে দান করলাম তার পরিজনবর্গ ও তাদের মত আরো অনেক; আমাদের পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ এবং বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য উপদেশস্বরূপ।
সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৩
স্ত্রীর প্রতি দয়া: এক মুঠো ঘাস
অসুস্থ অবস্থায় কোনো এক কারণে আইয়ুব (আ.) শপথ করেছিলেন, সুস্থ হলে স্ত্রীকে একশো বেত মারবেন। সুস্থ হওয়ার পর আল্লাহ সেই সেবাপরায়ণ স্ত্রীর প্রতি দয়া করে সহজ সমাধান দিলেন:
وَخُذْ بِيَدِكَ ضِغْثًا فَاضْرِب بِّهِ وَلَا تَحْنَثْ ۗ إِنَّا وَجَدْنَاهُ صَابِرًا ۚ نِّعْمَ الْعَبْدُ ۖ إِنَّهُ أَوَّابٌ
'আর (আমি তাকে আদেশ করলাম) একমুঠ ঘাস নিন এবং তা দ্বারা আঘাত করুন এবং শপথ ভঙ্গ করবেন না।' নিশ্চয় আমরা তাকে পেয়েছি ধৈর্যশীল। কতই উত্তম বান্দা তিনি! নিশ্চয় তিনি ছিলেন আমার অভিমুখী।
একশোটি ঘাস বা খেজুরের ডালের একটি আঁটি দিয়ে একবার আলতো আঘাত, শপথও রক্ষা হলো, কষ্টও হলো না। আর আয়াতের শেষে আল্লাহর সাক্ষ্য: "আমি তাঁকে ধৈর্যশীল পেয়েছি, কত উত্তম বান্দা, নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহর দিকে বারবার ফিরতেন।"
সোনার পঙ্গপাল: "আপনার বরকত থেকে অমুখাপেক্ষী নই"
সুস্থ হয়ে সম্পদ ফিরে পাওয়ার পর একদিনের ঘটনা নবী (ﷺ) শুনিয়েছেন:
একবার আইয়ুব (আ.) বস্ত্রহীন অবস্থায় (একা) গোসল করছিলেন, তখন তাঁর উপর সোনার পঙ্গপালের ঝাঁক পড়তে লাগল। তিনি সেগুলো কাপড়ে ভরতে লাগলেন। তখন তাঁর রব তাঁকে ডেকে বললেন: হে আইয়ুব, তুমি যা দেখছ, তা থেকে কি আমি তোমাকে অভাবমুক্ত করিনি? তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আমার রব, কিন্তু আপনার বরকত থেকে আমি কখনো অভাবমুক্ত নই।
এই উত্তর একজন কৃতজ্ঞ বান্দার উত্তর। সম্পদের প্রতি লোভ নয়, আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি বরকতের প্রতি আগ্রহ।
শেখা ও রিসোর্স
দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন
দোয়া
وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ ﴿٨٣﴾
আর স্মরণ করুন আইয়ূবকে, যখন তিনি তার রবকে ডেকে বলেছিলেন আমি তো দুক্ষি-কষ্টে পড়েছি, আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু!’
সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৩وَاذْكُرْ عَبْدَنَا أَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الشَّيْطَانُ بِنُصْبٍ وَعَذَابٍ ﴿٤١﴾
আর স্মরণ করুন, আমাদের বান্দা আইউবকে, যখন তিনি তার রবকে বলেছিলেন, ‘শয়তান তো আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্টে ফেলেছে',
সূরা সোয়াদ ৩৮:৪১দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।
হাদিস
بَيْنَمَا أَيُّوبُ يَغْتَسِلُ عُرْيَانًا خَرَّ عَلَيْهِ رِجْلُ جَرَادٍ مِنْ ذَهَبٍ، فَجَعَلَ يَحْثِي فِي ثَوْبِهِ، فَنَادَى رَبُّهُ يَا أَيُّوبُ، أَلَمْ أَكُنْ أَغْنَيْتُكَ عَمَّا تَرَى قَالَ بَلَى يَا رَبِّ، وَلَكِنْ لاَ غِنَى لِي عَنْ بَرَكَتِكَ
একবার আইয়ুব (আ.) বস্ত্রহীন অবস্থায় (একা) গোসল করছিলেন, তখন তাঁর উপর সোনার পঙ্গপালের ঝাঁক পড়তে লাগল। তিনি সেগুলো কাপড়ে ভরতে লাগলেন। তখন তাঁর রব তাঁকে ডেকে বললেন: হে আইয়ুব, তুমি যা দেখছ, তা থেকে কি আমি তোমাকে অভাবমুক্ত করিনি? তিনি বললেন: অবশ্যই, হে আমার রব, কিন্তু আপনার বরকত থেকে আমি কখনো অভাবমুক্ত নই।
শিক্ষা
অবদান
- মানবজাতির জন্য ধৈর্যের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দৃষ্টান্ত (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৪)।
- শপথ রক্ষার সহজ পথ, যা পরে ফিকহে মূলনীতি হয়েছে (সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৪)।
জীবনের রোডম্যাপ
- ১বংশ
ইবরাহীম (আ.)-এর বংশধর (সূরা আল-আনআম ৬:৮৪); ইতিহাসবিদদের মতে ঈস ইবনু ইসহাকের বংশে।
- ২নবুয়ত
ওহীপ্রাপ্ত নবী (সূরা আন-নিসা ৪:১৬৩)।
- ৩পরীক্ষা
সম্পদ, সন্তান ও স্বাস্থ্য হারানো; সময়কাল নিয়ে মতভেদ (আল-বিদায়া)।
- ৪দোয়া
"আমাকে কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি সবচেয়ে বড় দয়ালু" (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৩)।
- ৫আরোগ্য
পায়ের আঘাতে ঝরনা, গোসল ও পান (সূরা সোয়াদ ৩৮:৪২)।
- ৬পরিবার ফিরে পাওয়া
পরিবার ও তাদের মতো আরও (সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৩)।
- ৭পরবর্তী জীবন
সোনার পঙ্গপাল (সহিহ বুখারী ৩৩৯১)। ইন্তেকালের বিবরণ সহিহ সূত্রে নেই।
ভুল ধারণা
আইয়ুব (আ.)-এর শরীরে পোকা হয়েছিল, মানুষ ঘৃণা করে তাঁকে ময়লার স্তূপে ফেলে দিয়েছিল।
বিপদ আসা মানে আল্লাহ অসন্তুষ্ট।
লোকমুখে চলা গল্প যাচাই করা হয়েছে মুহাদ্দিসদের মান অনুযায়ী। কোনো গল্প এখানে না থাকলে, তা সঠিক বলে ধরে নেবেন না; দলিল দেখে নিন।
কুরআনে পড়ুন
পুরো ঘটনা ধারাবাহিকভাবে পড়তে এই অংশগুলো খুলুন।
| বিষয় | সূরা | আয়াত | সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ওহীপ্রাপ্ত নবীদের সাথে | সূরা আন-নিসা | ৪:১৬৩-১৬৩ | ১ |
| ইবরাহীমের বংশধরদের সাথে | সূরা আল-আনআম | ৬:৮৪-৮৪ | ১ |
| দোয়া ও সাড়া | সূরা আল-আম্বিয়া | ২১:৮৩-৮৪ | ২ |
| আরোগ্য ও প্রশংসা | সূরা সোয়াদ | ৩৮:৪১-৪৪ | ৪ |
যাচাই
১আইয়ুব (আ.) বিপদের সময় কী দোয়া করেছিলেন?
"আমাকে কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি সবচেয়ে বড় দয়ালু" (২১:৮৩)।
২আল্লাহ আইয়ুব (আ.)-কে কীভাবে সুস্থ করলেন?
মাটিতে পা দিয়ে আঘাত করতে বললেন, ঠান্ডা পানির ঝরনা বের হলো, তাতে গোসল ও পান করে সুস্থ হলেন (৩৮:৪২)।
৩সোনার পঙ্গপাল কুড়ানোর সময় আইয়ুব (আ.) কী বলেছিলেন?
"আপনার বরকত থেকে আমি কখনো অভাবমুক্ত নই" (বুখারী ৩৩৯১)।
সূত্র
- আল-কুরআনুল কারীম
আরবি পাঠ: তানযীল (হাফস)। বাংলা অর্থ: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া, হুবহু। - সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম
বুখারীর নম্বর ফাতহুল বারী অনুযায়ী, মুসলিমের নম্বর মুহাম্মাদ ফুআদ আব্দুল বাকী অনুযায়ী। - তাফসীর ইবনু কাসীর
সংশ্লিষ্ট আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা; ইসরাঈলি বর্ণনা চিনতে ইবনু কাসীরের নিজের মন্তব্যও কাজে লাগে। - কাসাসুল আম্বিয়া ও আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (১ম খণ্ড)
ইবনু কাসীর। আরও পড়ার জন্য; এখানে শুধু কুরআন ও সহিহ হাদিসের অংশ রাখা হয়েছে। - সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দঈফা ওয়াল মাওযূআ
মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী। দুর্বল ও জাল বর্ণনা যাচাইয়ের জন্য।
সাইটের সব সূত্র: সূত্র তালিকা · সূত্র নীতি