deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার

هَارُون عَلَيْهِ السَّلَامُ

হারুন (আ.)

মূসা (আ.)-এর ভাই ও সহযোগী নবী

হারুন (আ.) মূসা (আ.)-এর বড় ভাই। মূসা (আ.) নবুয়ত পেয়েই আল্লাহর কাছে চেয়েছিলেন, আমার ভাইকে আমার সহযোগী বানিয়ে দিন, আর আল্লাহ সে দোয়া কবুল করে হারুনকেও নবী বানান। তিনি ছিলেন স্পষ্টভাষী, কোমল ও ধৈর্যশীল। মূসা (আ.) যখন তূর পাহাড়ে, তখন বনী ইসরাঈলের দায়িত্ব ছিল তাঁর হাতে, আর সেই সময়েই এল বাছুরপূজার কঠিন পরীক্ষা।

وَوَهَبْنَا لَهُ مِن رَّحْمَتِنَا أَخَاهُ هَارُونَ نَبِيًّا

আর আমরা নিজ অনুগ্রহে তাকে দিলাম তার ভাই হারুনকে নবীরূপে।

সূরা মারইয়াম ১৯:৫৩
২০বার নাম এসেছে কুরআনে
১৩টি সূরায় আলোচনা
১৭টি আয়াত এই পাতায়
৩টি সহিহ হাদিস

এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।

পরিবার
মূসা (আ.)-এর ভাই (সূরা ত্বা-হা ২০:৩০, সূরা মারইয়াম ১৯:৫৩)
নবুয়ত
মূসা (আ.)-এর দোয়ায় (সূরা ত্বা-হা ২০:৩৬)
গুণ
মূসা (আ.)-এর চেয়ে বাগ্মী (সূরা আল-কাসাস ২৮:৩৪)
মিরাজে
পঞ্চম আসমানে (সহিহ বুখারী ৩৮৮৭)
কুরআনে যেখানে
সূরা আল-আরাফ, ত্বা-হা, মারইয়াম, আল-কাসাস, আস-সাফফাত সহ বহু সূরায়
নবুয়ত ও দাওয়াত
১
📍 মিসর ও তূর

ভাইয়ের দোয়ায় নবুয়ত

তূর পাহাড়ের কাছে আল্লাহ মূসা (আ.)-কে নবুয়ত দিয়ে ফিরআউনের কাছে যেতে বললেন। মূসা (আ.) কয়েকটি জিনিস চাইলেন, তার একটি ছিল ভাই:

وَاجْعَل لِّي وَزِيرًا مِّنْ أَهْلِي

‘আর আমার জন্য করে দিন একজন সাহায্যকারী আমার সজনদের মধ্য থেকে;

সূরা ত্বা-হা ২০:২৯

هَارُونَ أَخِي

‘আমার ভাই হারুনকে;

সূরা ত্বা-হা ২০:৩০

اشْدُدْ بِهِ أَزْرِي

‘তার দ্বারা আমার শক্তি সুদৃঢ় করুন,

সূরা ত্বা-হা ২০:৩১

وَأَشْرِكْهُ فِي أَمْرِي

‘এবং তাকে আমার কাজে অংশীদার করুন,

সূরা ত্বা-হা ২০:৩২

উদ্দেশ্যও বললেন: যাতে আমরা বেশি বেশি আপনার তাসবীহ পড়ি আর আপনাকে স্মরণ করি (সূরা ত্বা-হা ২০:৩৩, সূরা ত্বা-হা ২০:৩৪)। আল্লাহ বললেন, হে মূসা, তোমার চাওয়া পূরণ করা হলো (সূরা ত্বা-হা ২০:৩৬)। আল্লাহ নিজেই এটাকে বলেছেন রহমত:

وَوَهَبْنَا لَهُ مِن رَّحْمَتِنَا أَخَاهُ هَارُونَ نَبِيًّا

আর আমরা নিজ অনুগ্রহে তাকে দিলাম তার ভাই হারুনকে নবীরূপে।

সূরা মারইয়াম ১৯:৫৩
শিক্ষাভাইয়ের জন্য দোয়া করা, আর ভালো কাজে আপনজনকে সাথী করা নবীদের সুন্নাত।
২
📍 ফিরআউনের দরবার, মিসর

স্পষ্টভাষী সহযোগী

মূসা (আ.) নিজের দুর্বলতা জানতেন। তিনি বললেন:

وَأَخِي هَارُونُ هُوَ أَفْصَحُ مِنِّي لِسَانًا فَأَرْسِلْهُ مَعِيَ رِدْءًا يُصَدِّقُنِي ۖ إِنِّي أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ

‘আর আমার ভাই হারূন আমার চেয়ে বাগ্মী; অতএব তাকে আমার সাহায্যকারীরূপে প্রেরণ করুন, সে আমাকে সমর্থন করবে। আমি আশংকা করি তারা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করবে।’

সূরা আল-কাসাস ২৮:৩৪

আল্লাহ উত্তর দিলেন, তোমার ভাইকে দিয়ে তোমার হাত শক্ত করব, আর তোমাদের দুজনকে এমন ক্ষমতা দেব যে তারা তোমাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে না (সূরা আল-কাসাস ২৮:৩৫)। দুই ভাই একসাথে ফিরআউনের কাছে গেলেন, আল্লাহর নির্দেশ ছিল নরম ভাষায় কথা বলতে (সূরা ত্বা-হা ২০:৪৩, সূরা ত্বা-হা ২০:৪৪)।

শিক্ষানিজের দুর্বলতা স্বীকার করে যোগ্য সাথী চাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। দাওয়াতে কোমলতা কঠোর শাসকের সামনেও জরুরি।
বনী ইসরাঈলের নেতৃত্ব
৩
📍 সিনাই

মূসার অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব

ফিরআউন ডুবে যাওয়ার পর আল্লাহ মূসা (আ.)-কে চল্লিশ রাতের জন্য তূর পাহাড়ে ডাকলেন। যাওয়ার আগে তিনি হারুনকে দায়িত্ব দিয়ে গেলেন:

وَوَاعَدْنَا مُوسَىٰ ثَلَاثِينَ لَيْلَةً وَأَتْمَمْنَاهَا بِعَشْرٍ فَتَمَّ مِيقَاتُ رَبِّهِ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ۚ وَقَالَ مُوسَىٰ لِأَخِيهِ هَارُونَ اخْلُفْنِي فِي قَوْمِي وَأَصْلِحْ وَلَا تَتَّبِعْ سَبِيلَ الْمُفْسِدِينَ

আর মূসার জন্য আমরা ত্রিশ রাতের ওয়াদা করি এবং আরো দশ দিয়ে তা পূর্ণ করি। এভাবে তার রবের নির্ধারিত সময় চল্লিশ রাতে পূর্ণ হয়। এবং মূসা তার ভাই হারূনকে বললেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে আমার সম্প্রদায়ের মধ্যে আপনি আমার প্রতিনিধিত্ব করবেন, সংশোধন করবেন আর বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পথ অনুসরণ করবেন না।’

সূরা আল-আরাফ ৭:১৪২

শত শত বছর পরে নবী (ﷺ) আলী (রা.)-কে মদিনায় রেখে তাবুকে যাওয়ার সময় এই সম্পর্কের উদাহরণ দিয়েছেন:

(তাবুক অভিযানে যাওয়ার সময় নবী ﷺ আলী রা.-কে মদিনায় রেখে গেলে আলী বললেন:) আপনি কি আমাকে শিশু আর নারীদের মাঝে রেখে যাচ্ছেন? তিনি বললেন: তুমি কি খুশি নও যে, আমার কাছে তোমার মর্যাদা মূসার কাছে হারূনের মতো? তবে আমার পরে কোনো নবী নেই।

সহিহ বুখারী ৪৪১৬ সহিহ বর্ণনা: সাদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা.)
শিক্ষাদায়িত্ব পেলে সংশোধনের কাজ করুন, আর ফাসাদকারীদের পথে চলবেন না।
৪
📍 সিনাই

সামিরির বাছুর: হারুন (আ.)-এর অবস্থান

মূসা (আ.)-এর অনুপস্থিতিতে সামিরি গহনা গলিয়ে একটি বাছুর বানাল, আর অনেকে তার পূজা শুরু করল। হারুন (আ.) চুপ ছিলেন না:

وَلَقَدْ قَالَ لَهُمْ هَارُونُ مِن قَبْلُ يَا قَوْمِ إِنَّمَا فُتِنتُم بِهِ ۖ وَإِنَّ رَبَّكُمُ الرَّحْمَـٰنُ فَاتَّبِعُونِي وَأَطِيعُوا أَمْرِي

অবশ্য হারুন তাদেরকে আগেই বলেছিলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! এ দ্বারা তো শুধু তোমাদেরকে পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে। আর তোমাদের রব তো দয়াময়; কাজেই তোমরা আমার অনুসরণ কর এবং আমার আদেশ মেনে চল।

সূরা ত্বা-হা ২০:৯০

قَالُوا لَن نَّبْرَحَ عَلَيْهِ عَاكِفِينَ حَتَّىٰ يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَىٰ

তারা বলেছিল, ‘আমাদের কাছে মূসা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা কিছুতেই এর পূজা হতে বিরত হব না।

সূরা ত্বা-হা ২০:৯১

মূসা (আ.) ফিরে এসে রাগে ভাইয়ের দাড়ি আর মাথা ধরে টানলেন: তুমি কেন আমার পেছনে চলে আসোনি? হারুন (আ.)-এর উত্তরে আছে প্রজ্ঞা:

قَالَ يَا ابْنَ أُمَّ لَا تَأْخُذْ بِلِحْيَتِي وَلَا بِرَأْسِي ۖ إِنِّي خَشِيتُ أَن تَقُولَ فَرَّقْتَ بَيْنَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِي

হারুন বললেন, ‘হে আমার সহোদর! আমার দাড়ি ও চুল ধরবে না। আমি আশংকা করেছিলাম যে, তুমি বলবে, ‘আপনি বনী ইসরাঈলদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন ও আমার কথা শুনায় যত্নবান হননি।’

সূরা ত্বা-হা ২০:৯৪

সূরা আল-আরাফে আছে, তিনি বললেন, হে আমার মায়ের ছেলে, লোকেরা আমাকে দুর্বল ভেবেছিল, প্রায় মেরেই ফেলছিল (সূরা আল-আরাফ ৭:১৫০)। মূসা (আ.) সাথে সাথে নিজের ও ভাইয়ের জন্য ক্ষমা চাইলেন (সূরা আল-আরাফ ৭:১৫১)।

শিক্ষাঐক্য রক্ষা আর সঠিক কথা বলা, দুটোই দায়িত্ব। রাগের সময়ও ভাইয়ের কথা শোনা, আর ভুল বুঝলে দ্রুত ক্ষমা চাওয়া।
৫

মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম

আল্লাহ দুই ভাইকে একসাথে প্রশংসা করেছেন। কিতাব, হিদায়াত আর পরবর্তীদের মাঝে সুনাম:

وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَارُونَ

আর অবশ্যই আমরা অনুগ্রহ করেছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,

সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১৪

وَآتَيْنَاهُمَا الْكِتَابَ الْمُسْتَبِينَ

আর আমরা উভয়কে দিয়েছিলাম বিশদ কিতাব।

সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১৭

وَهَدَيْنَاهُمَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ

আর উভয়কে আমরা পরিচালিত করেছিলাম সরল পথে।

সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১৮

وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِي الْآخِرِينَ

আর আমরা তাদের উভয়ের জন্য পরবর্তীদের মধ্যে সুনাম-সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি।

সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১৯

سَلَامٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَارُونَ

মূসা ও হারূনের প্রতি সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা)।

সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১২০

মারইয়াম (আ.)-কে তাঁর জাতি "হে হারুনের বোন" বলেছিল (সূরা মারইয়াম ১৯:২৮)। নাজরানের খ্রিস্টানরা প্রশ্ন তুলল, হারুন তো ঈসার বহু আগের। নবী (ﷺ) উত্তর দিলেন:

আমি নাজরানে গেলে সেখানকার (খ্রিস্টান) লোকেরা আমাকে প্রশ্ন করল: আপনারা (কুরআনে মারইয়ামের ব্যাপারে) পড়েন "হে হারূনের বোন", অথচ মূসা (আ.) ছিলেন ঈসা (আ.)-এর এত এত বছর আগে? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: তারা তাদের আগের নবী ও নেককার লোকদের নামে নাম রাখত।

সহিহ মুসলিম ২১৩৫ সহিহ বর্ণনা: মুগীরা ইবনু শুবা (রা.)
শিক্ষানেককারদের নাম বংশধরদের মাঝে বেঁচে থাকে। ভালো মানুষের নামে নাম রাখাও সুন্নাত পদ্ধতি।
শেষ জীবন
৬
📍 পঞ্চম আসমান

মিরাজে পঞ্চম আসমানে

মিরাজের রাতে পঞ্চম আসমানে নবী (ﷺ)-এর সাথে হারুন (আ.)-এর সাক্ষাৎ হয়:

(দ্বিতীয় আসমানে) পৌঁছে দেখি ইয়াহইয়া ও ঈসা (আ.), তাঁরা দুজন খালাতো ভাই। জিবরীল বললেন: ইনি ইয়াহইয়া আর ইনি ঈসা, তাঁদের সালাম দিন। আমি সালাম দিলাম, তাঁরা উত্তর দিয়ে বললেন: নেককার ভাই ও নেককার নবীকে স্বাগতম। ... (চতুর্থ আসমানে) পৌঁছালাম ইদরীস (আ.)-এর কাছে। জিবরীল বললেন: ইনি ইদরীস, তাঁকে সালাম দিন। আমি সালাম দিলাম, তিনি উত্তর দিয়ে বললেন: নেককার ভাই ও নেককার নবীকে স্বাগতম। ... (পঞ্চম আসমানে) দেখি হারূন (আ.)। জিবরীল বললেন: ইনি হারূন, তাঁকে সালাম দিন। আমি সালাম দিলাম, তিনি উত্তর দিয়ে বললেন: নেককার ভাই ও নেককার নবীকে স্বাগতম। ... (সপ্তম আসমানে) দেখি ইবরাহীম (আ.)। জিবরীল বললেন: ইনি আপনার পিতা, তাঁকে সালাম দিন। আমি সালাম দিলাম, তিনি উত্তর দিয়ে বললেন: নেককার সন্তান ও নেককার নবীকে স্বাগতম।

সহিহ বুখারী ৩৮৮৭ সহিহ বর্ণনা: মালিক ইবনু সাসাআ (রা.)
শিক্ষাসব নবী একে অপরের ভাই; আমরা তাঁদের সবাইকে ভালোবাসি।
৭
📍 তীহ প্রান্তর (সিনাই)

তীহ প্রান্তরে ইন্তেকাল

বনী ইসরাঈল জিহাদে যেতে অস্বীকার করায় আল্লাহ তাদের চল্লিশ বছর তীহ প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর শাস্তি দিলেন (সূরা আল-মায়িদা ৫:২৬)। মূসা (আ.) তখন দোয়া করেছিলেন:

قَالَ رَبِّ إِنِّي لَا أَمْلِكُ إِلَّا نَفْسِي وَأَخِي ۖ فَافْرُقْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقَوْمِ الْفَاسِقِينَ

তিনি বললেন, ‘হে আমার রব! আমি ও আমার ভাই ছাড়া আর কারো উপর আমার অধিকার নেই, সুতরাং আপনি আমাদের ও ফাসিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিন।’

সূরা আল-মায়িদা ৫:২৫
শিক্ষাঅবাধ্য জাতির মাঝেও নবীরা শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের দায় আল্লাহর কাছে পরিষ্কার রাখুন।

শেখা ও রিসোর্স

দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন

দোয়া

কাজে সাহায্যকারী চাওয়ার দোয়া (মূসা আ.)

وَاجْعَل لِّي وَزِيرًا مِّنْ أَهْلِي ﴿٢٩﴾ هَارُونَ أَخِي ﴿٣٠﴾ اشْدُدْ بِهِ أَزْرِي ﴿٣١﴾ وَأَشْرِكْهُ فِي أَمْرِي ﴿٣٢﴾

‘আর আমার জন্য করে দিন একজন সাহায্যকারী আমার সজনদের মধ্য থেকে; ‘আমার ভাই হারুনকে; ‘তার দ্বারা আমার শক্তি সুদৃঢ় করুন, ‘এবং তাকে আমার কাজে অংশীদার করুন,

সূরা ত্বা-হা ২০:২৯-৩২
নিজের ও ভাইয়ের জন্য ক্ষমা চাওয়া

قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِأَخِي وَأَدْخِلْنَا فِي رَحْمَتِكَ ۖ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ ﴿١٥١﴾

মূসা বললেন, ‘হে আমার রব! আমাকে ও আমার ভাইকে ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আপনার রহমতের মধ্যে প্রবিষ্ট করুন। আর আপনিই শ্রেষ্ঠ দয়ালু।’

সূরা আল-আরাফ ৭:১৫১

দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।

অন্য নবীদের জীবনী

deenpedia.com · https://deenpedia.com/nabi/harun/
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpedia.com · কুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার