নবীদের জীবনী
কুরআনে নাম আসা ২৫ জন নবী
আল্লাহ মানুষের হিদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। কুরআনে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের জীবনী এখানে কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস দিয়ে লেখা হচ্ছে। যেগুলো তৈরি, সেগুলোতে চাপ দিয়ে পড়ুন।
সব নবীর মূল বার্তা ছিল একটাই: আল্লাহর ইবাদত করো, তাগূতকে বর্জন করো (সূরা আন-নাহল ১৬:৩৬)। আর আল্লাহ সব রাসূলের কথা আমাদের জানাননি (সূরা আন-নিসা ৪:১৬৪)।
নবী-রাসূলদের প্রতি ঈমান: মৌলিক কথা
নবী-রাসূলদের প্রতি ঈমান ঈমানের ছয়টি রুকনের একটি। মুমিন আল্লাহর পাঠানো কোনো রাসূলকে অস্বীকার করে না, সবার প্রতি ঈমান আনে।
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
রাসূল তার প্রভুর পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। প্রত্যেকেই ঈমান এনেছে আল্লাহ্র উপর, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে: আমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি। হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্তাবর্তনস্থল।
- সব নবীর বার্তা এক: আল্লাহর ইবাদত করো, তাগূত বর্জন করো (সূরা আন-নাহল ১৬:৩৬)।
- সংখ্যা: কুরআনে ২৫ জনের নাম এসেছে। আল্লাহ বলেছেন, অনেক রাসূলের কথা তিনি আমাদের জানাননি (সূরা আন-নিসা ৪:১৬৪)। সূরা আল-আনআমে একসাথে ১৮ জনের নাম আছে (সূরা আল-আনআম ৬:৮৩-সূরা আল-আনআম ৬:৮৬)।
- মর্যাদায় পার্থক্য: আল্লাহ কিছু রাসূলকে অন্যদের উপর মর্যাদা দিয়েছেন (সূরা আল-বাকারা ২:২৫৩)। কুরআন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (উলুল আযম) রাসূলদের কথা বলেছে (সূরা আল-আহকাফ ৪৬:৩৫)। অধিকাংশ আলেমের মতে তাঁরা পাঁচজন: নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ (ﷺ), যাঁদের নাম আলাদা করে এসেছে সূরা আল-আহযাব ৩৩:৭ আয়াতে।
- শেষ নবী: মুহাম্মাদ (ﷺ) সর্বশেষ নবী; তাঁর পরে আর কোনো নবী আসবেন না।
مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَـٰكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ ۗ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; ববং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আর আল্লাহ্ সর্বকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
নবীদের ঘটনা এখানে শুধু কুরআন ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বইয়ে থাকা ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) দলিল হিসেবে রাখা হয়নি।