زَكَرِيَّا عَلَيْهِ السَّلَامُ
যাকারিয়া (আ.)
যাকারিয়া (আ.) ছিলেন বাইতুল মাকদিসের এক বৃদ্ধ নবী। লটারির মাধ্যমে তিনি মারইয়াম (আ.)-এর অভিভাবক হন। মারইয়ামের ঘরে অসময়ের ফল দেখে তাঁর মনে আশা জাগে, আর তিনি নিভৃতে আল্লাহর কাছে সন্তান চান, যদিও তিনি বৃদ্ধ আর স্ত্রী বন্ধ্যা। আল্লাহ তাঁকে দিলেন ইয়াহইয়া, এমন নাম যা আগে কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি নিজের হাতে কাঠের কাজ করে জীবিকা অর্জন করতেন।
قَالَ رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا وَلَمْ أَكُن بِدُعَائِكَ رَبِّ شَقِيًّا
তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মাথা শুভ্রোজ্জল হয়েছে; হে আমার রব! আপনাকে ডেকে আমি কখনো ব্যর্থকাম হইনি।
এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।
- পরিচয়
- নেককার নবী (সূরা আল-আনআম ৬:৮৫)
- দায়িত্ব
- মারইয়াম (আ.)-এর অভিভাবক (সূরা আলে ইমরান ৩:৩৭, সূরা আলে ইমরান ৩:৪৪)
- পেশা
- কাঠমিস্ত্রি (সহিহ মুসলিম ২৩৭৯)
- সন্তান
- ইয়াহইয়া (আ.) (সূরা মারইয়াম ১৯:৭, সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৯০)
- কুরআনে যেখানে
- সূরা আলে ইমরান, আল-আনআম, মারইয়াম ও আল-আম্বিয়া
মারইয়ামের অভিভাবক
ইমরানের স্ত্রী গর্ভের সন্তানকে আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। মেয়ে মারইয়াম জন্মালে আল্লাহ তাঁকে কবুল করলেন, আর যাকারিয়া (আ.)-কে তাঁর অভিভাবক বানালেন:
فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍ وَأَنبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا ۖ كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِندَهَا رِزْقًا ۖ قَالَ يَا مَرْيَمُ أَنَّىٰ لَكِ هَـٰذَا ۖ قَالَتْ هُوَ مِنْ عِندِ اللَّهِ ۖ إِنَّ اللَّهَ يَرْزُقُ مَن يَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
তারপর তার রব তাকে ভালোভাবেই কবুল করলেন এবং তাকে উত্তমরূপে লালন-পালন করলেন এবং তিনি তাকে যাকারিয়্যার তত্ত্বাবধানে রেখেছিলেন। যখনই যাকারিয়্যা তার কক্ষে প্রবেশ করত তখনই তার নিকট খাদ্য সামগ্রী দেখতে পেত। তিনি বলতেন, ‘হে মারিয়াম! এ সব তুমি কথায় পেলে?’ (মার্ইয়াম) বলতেন, ‘তা আল্লাহ্র নিকট হতে।’ নিশ্চয় আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছে অপরিমিত রিয্ক দান করেন।
অভিভাবক কে হবেন, তা নিয়ে ইবাদতখানার লোকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়েছিল, আর লটারিতে যাকারিয়া (আ.)-এর নাম ওঠে (সূরা আলে ইমরান ৩:৪৪)।
নিভৃতে এক বৃদ্ধের দোয়া
মারইয়ামের ঘরের অবস্থা দেখে যাকারিয়া (আ.) সেখানেই দোয়া করলেন (সূরা আলে ইমরান ৩:৩৮)। সূরা মারইয়ামে সেই দোয়ার পুরো ভাষা আছে:
إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ نِدَاءً خَفِيًّا
যখন তিনি তার রবকে ডেকেছিলেন নিভৃতে,
সূরা মারইয়াম ১৯:৩
قَالَ رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا وَلَمْ أَكُن بِدُعَائِكَ رَبِّ شَقِيًّا
তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মাথা শুভ্রোজ্জল হয়েছে; হে আমার রব! আপনাকে ডেকে আমি কখনো ব্যর্থকাম হইনি।
সূরা মারইয়াম ১৯:৪
وَإِنِّي خِفْتُ الْمَوَالِيَ مِن وَرَائِي وَكَانَتِ امْرَأَتِي عَاقِرًا فَهَبْ لِي مِن لَّدُنكَ وَلِيًّا
‘আর আমি আশংকা করি আমার পর আমার সগোত্রীয়দের সম্পর্কে, আমার স্ত্রী বন্ধা। কাজেই আপনি আপনার কাছ থেকে আমাকে দান করুন উত্তরাধিকারী,
সূরা মারইয়াম ১৯:৫
يَرِثُنِي وَيَرِثُ مِنْ آلِ يَعْقُوبَ ۖ وَاجْعَلْهُ رَبِّ رَضِيًّا
‘যে আমার উত্তরাধিকারিত্ত করবে এবং উত্তরাধিকারিত্ত করবে ইয়া’কুবের বংশের এবং হে আমার রব! তাকে করবেন সন্তোষভাজন।
সূরা মারইয়াম ১৯:৬
লক্ষ করুন: চুপিচুপি ডাকা, নিজের দুর্বলতার কথা বলা, আগের দোয়া কবুলের কৃতজ্ঞতা, আর চাওয়ার উদ্দেশ্য দ্বীনের উত্তরাধিকার, সম্পদ নয়। সূরা আল-আম্বিয়ায় তাঁর ছোট্ট দোয়াটি:
وَزَكَرِيَّا إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
আর স্মরণ করুন যাকারিয়্যাকে, যখন তিনি তার রবকে ডেকে বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমাকে একা (নিঃসন্তান) রেখে দিবেন না, আপনি তো শ্রেষ্ঠ ওয়ারিশ।’
ইয়াহইয়ার সুসংবাদ ও তিন দিনের নীরবতা
যাকারিয়া (আ.) মিহরাবে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন ফেরেশতারা ডেকে সুসংবাদ দিলেন:
فَنَادَتْهُ الْمَلَائِكَةُ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي فِي الْمِحْرَابِ أَنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَىٰ مُصَدِّقًا بِكَلِمَةٍ مِّنَ اللَّهِ وَسَيِّدًا وَحَصُورًا وَنَبِيًّا مِّنَ الصَّالِحِينَ
অতঃপর যখন যাকারিয়্যা ইবাদত কক্ষে সালাতে দাঁড়িয়েছিলেন তখন ফেরেশ্তারা তাকে আহবান করে বলল, ‘নিশ্চয় আল্লাহ্ আপনাকে ইয়াহ্ইয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন, সে হবে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আগমনকৃত এক কালেমাকে সত্যায়নকারী, নেতা, ভোগ আসক্তিমুক্ত এবং পূণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী।’
সূরা আলে ইমরান ৩:৩৯
তিনি অবাক হয়ে বললেন, আমি বৃদ্ধ, স্ত্রী বন্ধ্যা, কীভাবে সন্তান হবে (সূরা মারইয়াম ১৯:৮)? উত্তর এল, এটা আমার জন্য সহজ; আমি তো তোমাকেও সৃষ্টি করেছি যখন তুমি কিছুই ছিলে না (সূরা মারইয়াম ১৯:৯)। তিনি একটি নিদর্শন চাইলেন:
قَالَ رَبِّ اجْعَل لِّي آيَةً ۚ قَالَ آيَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلَاثَ لَيَالٍ سَوِيًّا
যাকারিয়্যা বললেন, ‘হে আমার রব! আমাকে একটি নিদর্শন দিন।’ তিনি বললেন, ‘আপনার নিদর্শন এ যে, আপনি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও কারো সাথে তিন দিন কথাবার্তা বলবেন না।’
فَخَرَجَ عَلَىٰ قَوْمِهِ مِنَ الْمِحْرَابِ فَأَوْحَىٰ إِلَيْهِمْ أَن سَبِّحُوا بُكْرَةً وَعَشِيًّا
তারপর তিনি (‘ইবাদাতের জন্য নির্দিষ্ট) কক্ষ হতে বের হয়ে তার সম্প্রদায়ের কাছে আসলেন এবং ইঙ্গিতে তাদেরকে সকাল-সন্ধায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করতে বললেন।
সূরা মারইয়াম ১৯:১১
আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া পরিবার
আল্লাহ দোয়া কবুল করলেন, স্ত্রীকে সুস্থ করে দিলেন, আর পুরো পরিবারের প্রশংসা করলেন:
فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَوَهَبْنَا لَهُ يَحْيَىٰ وَأَصْلَحْنَا لَهُ زَوْجَهُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا ۖ وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
অতঃপর আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া, আর তার জন্য তার স্ত্রীকে (গর্ভধারণের) যোগ্য করেছিলাম। তারা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করত, আর তারা আমাদেরকে ডাকত আগ্রহ ও ভীতির সাথে এবং তারা ছিল আমাদের নিকট ভীত-অবনত।
তিনটি গুণ: ভালো কাজে প্রতিযোগিতা, আশা ও ভয় নিয়ে দোয়া, আর বিনয়। একজন নবী হয়েও তিনি নিজের হাতের কাজে জীবিকা অর্জন করতেন:
যাকারিয়া (আ.) ছিলেন কাঠমিস্ত্রি।
সহিহ মুসলিম ২৩৭৯ সহিহ বর্ণনা: আবু হুরাইরা (রা.)
শেষ জীবন
কুরআন ও সহিহ হাদিসে যাকারিয়া (আ.)-এর ইন্তেকালের বিবরণ নেই। আল্লাহ তাঁকে নেককারদের মধ্যে গণ্য করেছেন:
وَزَكَرِيَّا وَيَحْيَىٰ وَعِيسَىٰ وَإِلْيَاسَ ۖ كُلٌّ مِّنَ الصَّالِحِينَ
আর যাকারিয়্যা , ইয়াহইয়া, ঈসা এবং ইলয়াসকেও (হিদায়াত দিয়েছিলাম)। এরা প্রত্যেকেই সৎকর্মপরায়ণ ছিলেন;
শেখা ও রিসোর্স
দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন
দোয়া
هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهُ ۖ قَالَ رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ ﴿٣٨﴾
সেখানেই যাকারিয়্যা তার রবের নিকট প্রার্থনা করে বললেন, ‘হে আমার রব! আমাকে আপনি আপনার নিকট থেকে উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী।’
সূরা আলে ইমরান ৩:৩৮وَزَكَرِيَّا إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ ﴿٨٩﴾
আর স্মরণ করুন যাকারিয়্যাকে, যখন তিনি তার রবকে ডেকে বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমাকে একা (নিঃসন্তান) রেখে দিবেন না, আপনি তো শ্রেষ্ঠ ওয়ারিশ।’
সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৯قَالَ رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا وَلَمْ أَكُن بِدُعَائِكَ رَبِّ شَقِيًّا ﴿٤﴾ وَإِنِّي خِفْتُ الْمَوَالِيَ مِن وَرَائِي وَكَانَتِ امْرَأَتِي عَاقِرًا فَهَبْ لِي مِن لَّدُنكَ وَلِيًّا ﴿٥﴾ يَرِثُنِي وَيَرِثُ مِنْ آلِ يَعْقُوبَ ۖ وَاجْعَلْهُ رَبِّ رَضِيًّا ﴿٦﴾
তিনি বলেছিলেন, ‘হে আমার রব! আমার অস্থি দুর্বল হয়েছে, বার্ধক্যে আমার মাথা শুভ্রোজ্জল হয়েছে; হে আমার রব! আপনাকে ডেকে আমি কখনো ব্যর্থকাম হইনি। ‘আর আমি আশংকা করি আমার পর আমার সগোত্রীয়দের সম্পর্কে, আমার স্ত্রী বন্ধা। কাজেই আপনি আপনার কাছ থেকে আমাকে দান করুন উত্তরাধিকারী, ‘যে আমার উত্তরাধিকারিত্ত করবে এবং উত্তরাধিকারিত্ত করবে ইয়া’কুবের বংশের এবং হে আমার রব! তাকে করবেন সন্তোষভাজন।
সূরা মারইয়াম ১৯:৪-৬দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।
হাদিস
كَانَ زَكَرِيَّاءُ نَجَّارًا
যাকারিয়া (আ.) ছিলেন কাঠমিস্ত্রি।
শিক্ষা
অবদান
- মারইয়াম (আ.)-এর লালনপালন, যাঁর গর্ভে ঈসা (আ.) (সূরা আলে ইমরান ৩:৩৭)।
- কুরআনে দোয়ার আদবের সবচেয়ে সুন্দর দৃষ্টান্তগুলোর একটি (সূরা মারইয়াম ১৯:৩-সূরা মারইয়াম ১৯:৬)।
জীবনের রোডম্যাপ
- ১দায়িত্ব
বাইতুল মাকদিসে মারইয়াম (আ.)-এর অভিভাবক (সূরা আলে ইমরান ৩:৩৭)।
- ২দোয়া
বৃদ্ধ বয়সে নিভৃতে সন্তান চাওয়া (সূরা মারইয়াম ১৯:৩-সূরা মারইয়াম ১৯:৬)।
- ৩সুসংবাদ
ইয়াহইয়ার জন্মের খবর (সূরা আলে ইমরান ৩:৩৯, সূরা মারইয়াম ১৯:৭)।
- ৪নিদর্শন
তিন দিন কথা বলতে না পারা (সূরা মারইয়াম ১৯:১০)।
- ৫পেশা
কাঠমিস্ত্রি (সহিহ মুসলিম ২৩৭৯)।
- ৬ইন্তেকাল
সহিহ সূত্রে বিবরণ নেই; করাতের গল্পটি ইসরাঈলি বর্ণনা।
ভুল ধারণা
যাকারিয়া (আ.)-কে গাছের ভেতরে করাত দিয়ে চিরে হত্যা করা হয়েছিল।
লোকমুখে চলা গল্প যাচাই করা হয়েছে মুহাদ্দিসদের মান অনুযায়ী। কোনো গল্প এখানে না থাকলে, তা সঠিক বলে ধরে নেবেন না; দলিল দেখে নিন।
কুরআনে পড়ুন
পুরো ঘটনা ধারাবাহিকভাবে পড়তে এই অংশগুলো খুলুন।
| বিষয় | সূরা | আয়াত | সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| মারইয়ামের অভিভাবক ও সুসংবাদ | সূরা আলে ইমরান | ৩:৩৭-৪১ | ৫ |
| লটারি | সূরা আলে ইমরান | ৩:৪৪-৪৪ | ১ |
| নিভৃত দোয়া ও নিদর্শন | সূরা মারইয়াম | ১৯:২-১১ | ১০ |
| দোয়া ও পরিবার | সূরা আল-আম্বিয়া | ২১:৮৯-৯০ | ২ |
যাচাই
১যাকারিয়া (আ.) কীভাবে মারইয়ামের অভিভাবক হলেন?
লটারির মাধ্যমে (৩:৪৪)।
২ইয়াহইয়ার সুসংবাদের নিদর্শন কী ছিল?
সুস্থ থেকেও তিন দিন মানুষের সাথে কথা বলতে না পারা (১৯:১০)।
৩যাকারিয়া (আ.)-এর পেশা কী ছিল?
কাঠমিস্ত্রি (মুসলিম ২৩৭৯)।
সূত্র
- আল-কুরআনুল কারীম
আরবি পাঠ: তানযীল (হাফস)। বাংলা অর্থ: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া, হুবহু। - সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম
বুখারীর নম্বর ফাতহুল বারী অনুযায়ী, মুসলিমের নম্বর মুহাম্মাদ ফুআদ আব্দুল বাকী অনুযায়ী। - তাফসীর ইবনু কাসীর
সংশ্লিষ্ট আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা; ইসরাঈলি বর্ণনা চিনতে ইবনু কাসীরের নিজের মন্তব্যও কাজে লাগে। - কাসাসুল আম্বিয়া ও আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (১ম খণ্ড)
ইবনু কাসীর। আরও পড়ার জন্য; এখানে শুধু কুরআন ও সহিহ হাদিসের অংশ রাখা হয়েছে। - সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দঈফা ওয়াল মাওযূআ
মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী। দুর্বল ও জাল বর্ণনা যাচাইয়ের জন্য।
সাইটের সব সূত্র: সূত্র তালিকা · সূত্র নীতি