إِسْحَاق عَلَيْهِ السَّلَامُ
ইসহাক (আ.)
ইসহাক (আ.) ইবরাহীম (আ.) ও সারা (আ.)-এর ছেলে। তাঁর জন্মের খবর এনেছিলেন ফেরেশতারা, যখন বাবা অনেক বৃদ্ধ আর মা বন্ধ্যা ও বৃদ্ধা। আল্লাহ তাঁকে নবী বানিয়েছেন, আর তাঁর ছেলে ইয়াকুব (আ.) থেকে এসেছে বনী ইসরাঈল ও তাদের বহু নবী। কুরআনে তাঁর জীবনের ঘটনা কম, কিন্তু প্রশংসা অনেক।
وَبَشَّرْنَاهُ بِإِسْحَاقَ نَبِيًّا مِّنَ الصَّالِحِينَ
আর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, তিনি ছিলেন এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম।
এই পাতার মূল ঘটনা কুরআনের আয়াত ও সহিহ হাদিস থেকে নেওয়া। তাফসীর ও ইতিহাসের বই (ইবনু কাসীর, তাবারী প্রভৃতি) থেকে যা এসেছে, তা আলাদা বাক্সে মানসহ দেখানো হয়েছে; ইসরাঈলি বর্ণনা (আগের কিতাবধারীদের কাছ থেকে আসা গল্প) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা, দলিল হিসেবে নয়। আয়াতের বাংলা অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।
- পিতা-মাতা
- ইবরাহীম (আ.) ও সারা (আ.)
- পরিচয়
- নেককার নবী (সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১২)
- সন্তান
- ইয়াকুব (আ.) (সূরা হুদ ১১:৭১); ইতিহাসে আরেক ছেলে ঈস (ঈসূ)
- বংশধর
- বনী ইসরাঈল ও তাদের নবীরা (সূরা আল-আনকাবূত ২৯:২৭)
- কুরআনে যেখানে
- সূরা হূদ, আয-যারিয়াত, আস-সাফফাত, মারইয়াম, আল-আম্বিয়া, সোয়াদ সহ বহু জায়গায় নাম
ফেরেশতাদের সুসংবাদ
লূত (আ.)-এর জাতিকে শাস্তি দিতে যাওয়ার পথে ফেরেশতারা মানুষের রূপে ইবরাহীম (আ.)-এর ঘরে এলেন। তিনি তাড়াতাড়ি ভুনা বাছুর এনে দিলেন, কিন্তু অতিথিরা খেলেন না। তখন তাঁরা পরিচয় দিলেন, আর জানালেন একটি সুসংবাদ:
وَامْرَأَتُهُ قَائِمَةٌ فَضَحِكَتْ فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِن وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ
আর তাঁর স্ত্রী দাঁড়ানো ছিলেন, অতঃপর তিনি হেসে ফেললেন। অতঃপর আমরা তাকে ইস্হাকের ও ইস্হাকের পরবর্তী ইয়া’কূবের সুসংবাদ দিলাম।
একই সুসংবাদে দুই প্রজন্মের খবর: ছেলে ইসহাক, আর তাঁর পরে নাতি ইয়াকুব। অর্থাৎ ইসহাক বেঁচে থাকবেন, বড় হবেন, তাঁর সন্তানও হবে।
বৃদ্ধা মায়ের বিস্ময়
সারা (আ.) কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। খবর শুনে অবাক হয়ে বললেন:
قَالَتْ يَا وَيْلَتَىٰ أَأَلِدُ وَأَنَا عَجُوزٌ وَهَـٰذَا بَعْلِي شَيْخًا ۖ إِنَّ هَـٰذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ
তিনি বললেন, ‘হায়, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি, যখন আমি বৃদ্ধা এবং এ আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
সূরা হুদ ১১:৭২
قَالُوا أَتَعْجَبِينَ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ ۖ رَحْمَتُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ ۚ إِنَّهُ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
তারা বলল, ‘আল্লাহ্র কাজে আপনি বিস্ময় বোধ করছেন? হে নবী পরিবার! আপনাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও কল্যাণ। তিনি তো প্রশংসার যোগ্য ও অত্যন্ত সম্মানিত।
সূরা আয-যারিয়াতে আছে, তিনি চিৎকার করে মুখে হাত দিয়ে বললেন, আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:২৯)। ফেরেশতারা বললেন, আপনার রব এমনই বলেছেন (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৩০)। আর ইবরাহীম (আ.) বলেছিলেন, বার্ধক্য ছুঁয়ে যাওয়ার পর তোমরা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছ? (সূরা আল-হিজর ১৫:৫৪)। উত্তর এল, আমরা সত্য সুসংবাদ দিচ্ছি, নিরাশ হবেন না (সূরা আল-হিজর ১৫:৫৫)।
নবুয়ত ও প্রশংসা
আল্লাহ ইসহাক (আ.)-কে নবী বানিয়েছেন, আর তাঁর উপর ও তাঁর বাবার উপর বরকত দিয়েছেন:
وَبَشَّرْنَاهُ بِإِسْحَاقَ نَبِيًّا مِّنَ الصَّالِحِينَ
আর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের, তিনি ছিলেন এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম।
সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১২
وَبَارَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰ إِسْحَاقَ ۚ وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِّنَفْسِهِ مُبِينٌ
আর আমরা ইবরাহীমের ওপর বরকত দান করেছিলাম এবং ইসহাকের উপরও; তাদের উভয়ের বংশধরদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মুহসিন এবং কিছু সংখ্যক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১৩
সূরা সোয়াদে আল্লাহ ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুব (আ.)-কে একসাথে স্মরণ করেছেন: তাঁরা ছিলেন কাজে শক্তিশালী আর দ্বীনের বুঝে দৃষ্টিমান, আখিরাতের স্মরণ ছিল তাঁদের বিশেষ গুণ:
وَاذْكُرْ عِبَادَنَا إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ أُولِي الْأَيْدِي وَالْأَبْصَارِ
আর স্মরণ করুন, আমাদের বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়া'কুবের কথা, তাঁরা ছিলেন শক্তিশালী ও সূক্ষ্মদর্শী।
সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৫
إِنَّا أَخْلَصْنَاهُم بِخَالِصَةٍ ذِكْرَى الدَّارِ
নিশ্চয় আমরা তাদেরকে অধিকারী করেছিলাম এক বিশেষ গুণের, তা ছিল আখিরাতের স্মরণ।
وَإِنَّهُمْ عِندَنَا لَمِنَ الْمُصْطَفَيْنَ الْأَخْيَارِ
আর নিশ্চয় তারা ছিলেন আমাদের নিকট মনোনীত উত্তম বান্দাদের অন্যতম।
সূরা সোয়াদ ৩৮:৪৭
তাঁদের নেতা বানানো হয়েছিল, যাঁরা আল্লাহর আদেশে মানুষকে পথ দেখাতেন, নামাজ কায়েম করতেন, যাকাত দিতেন (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৭৩)।
নবীদের বংশের সূচনা
আল্লাহ ইবরাহীম (আ.)-কে ইসহাক আর ইয়াকুব দান করার সাথে তাঁর বংশে নবুয়ত আর কিতাব রেখে দিয়েছেন:
وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَجَعَلْنَا فِي ذُرِّيَّتِهِ النُّبُوَّةَ وَالْكِتَابَ وَآتَيْنَاهُ أَجْرَهُ فِي الدُّنْيَا ۖ وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ
আর আমরা ইবরাহীমকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়া‘কূব এবং তাঁর বংশধরদের জন্য স্থির করলাম নবূওয়ত ও কিতাব। আর আমরা তাকে তার প্রতিদান দুনিয়ায় দিয়েছিলাম এবং আখেরাতেও তিনি নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম হবেন।
ইসহাক (আ.)-এর ছেলে ইয়াকুব, যাঁর আরেক নাম ইসরাঈল। তাঁর বারো ছেলে থেকে বনী ইসরাঈলের বারো গোত্র। মূসা, হারূন, দাউদ, সুলাইমান, যাকারিয়া, ইয়াহইয়া, ঈসা (আ.) সহ বহু নবী এই বংশের। নবী (ﷺ) ইউসুফ (আ.)-এর পরিচয় দিতে গিয়ে চার প্রজন্মের এই ধারা উল্লেখ করেছেন:
নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো: মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত কে? তিনি বললেন: তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। তারা বলল: হে আল্লাহর নবী, আমরা এ কথা জানতে চাইনি। তিনি বললেন: তাহলে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ইউসুফ, আল্লাহর নবী, যিনি আল্লাহর নবীর ছেলে, যিনি আল্লাহর নবীর ছেলে, যিনি আল্লাহর খলীলের ছেলে। তারা বলল: আমরা এটাও জানতে চাইনি। তিনি বললেন: তাহলে তোমরা কি আরবের বংশের কথা জানতে চাইছ? তারা বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: জাহিলিয়াতে তোমাদের মধ্যে যারা উত্তম ছিল, ইসলামেও তারাই উত্তম, যদি তারা দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে।
সহিহ বুখারী ৩৩৭৪ সহিহ বর্ণনা: আবু হুরাইরা (রা.)
ইন্তেকাল
কুরআন ও সহিহ হাদিসে ইসহাক (আ.)-এর ইন্তেকালের বিবরণ নেই। তবে কুরআন জানিয়েছে, তাঁর নাতি-নাতনিরা ইয়াকুব (আ.)-এর মৃত্যুশয্যায় তাঁকে "পিতা"দের মধ্যে গণ্য করে এক আল্লাহর ইবাদতের অঙ্গীকার করেছিল (সূরা আল-বাকারা ২:১৩৩)। ইউসুফ (আ.)-ও কারাগারে নিজের পরিচয় দিয়েছেন এভাবে:
وَاتَّبَعْتُ مِلَّةَ آبَائِي إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ ۚ مَا كَانَ لَنَا أَن نُّشْرِكَ بِاللَّهِ مِن شَيْءٍ ۚ ذَٰلِكَ مِن فَضْلِ اللَّهِ عَلَيْنَا وَعَلَى النَّاسِ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ
‘আমি আমার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম, ইস্হাক এবং ইয়া’কূবের মিল্লাত অনুসরণ করি। আল্লাহ্র সাথে কোনো বস্তুকে শরীক করা আমাদের জন্য সংগত নয়। এটা আমাদের ও সমস্ত মানুষের প্রতি আল্লাহ্র অনুগ্রহ; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
শেখা ও রিসোর্স
দোয়া, হাদিস, শিক্ষা, ভুল ধারণা আর কুরআনে কোথায় পড়বেন
দোয়া
দোয়াগুলো কুরআনের আয়াত, তাই আরবি হুবহু রাখা হয়েছে; অর্থ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে।
হাদিস
নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো: মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত কে? তিনি বললেন: তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। তারা বলল: হে আল্লাহর নবী, আমরা এ কথা জানতে চাইনি। তিনি বললেন: তাহলে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ইউসুফ, আল্লাহর নবী, যিনি আল্লাহর নবীর ছেলে, যিনি আল্লাহর নবীর ছেলে, যিনি আল্লাহর খলীলের ছেলে। তারা বলল: আমরা এটাও জানতে চাইনি। তিনি বললেন: তাহলে তোমরা কি আরবের বংশের কথা জানতে চাইছ? তারা বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: জাহিলিয়াতে তোমাদের মধ্যে যারা উত্তম ছিল, ইসলামেও তারাই উত্তম, যদি তারা দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে।
শিক্ষা
অবদান
- বনী ইসরাঈলের নবী-পরম্পরার সূচনা (সূরা আল-আনকাবূত ২৯:২৭)।
- তাওহীদের মিল্লাতের ধারক, যা তাঁর বংশে চলেছে (সূরা ইউসুফ ১২:৩৮)।
জীবনের রোডম্যাপ
- ১জন্ম
ফেরেশতাদের সুসংবাদে, বৃদ্ধ পিতা-মাতার ঘরে (সূরা হুদ ১১:৭১-সূরা হুদ ১১:৭৩)।
- ২নবুয়ত
নেককার নবী (সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১১২); নেতা, মানুষকে পথ দেখাতেন (সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৭৩)।
- ৩সন্তান
ইয়াকুব (আ.), যাঁর থেকে বনী ইসরাঈল (সূরা হুদ ১১:৭১, সূরা আল-আনকাবূত ২৯:২৭)।
- ৪ইন্তেকাল
ইতিহাসবিদদের মতে ১৮০ বছর বয়সে, হেবরনে পিতার পাশে দাফন (আল-বিদায়া)।
ভুল ধারণা
ইয়াকুব (আ.) বড় ভাইয়ের পোশাক পরে অন্ধপ্রায় বাবা ইসহাক (আ.)-কে ধোঁকা দিয়ে দোয়া নিয়েছিলেন।
লোকমুখে চলা গল্প যাচাই করা হয়েছে মুহাদ্দিসদের মান অনুযায়ী। কোনো গল্প এখানে না থাকলে, তা সঠিক বলে ধরে নেবেন না; দলিল দেখে নিন।
কুরআনে পড়ুন
পুরো ঘটনা ধারাবাহিকভাবে পড়তে এই অংশগুলো খুলুন।
| বিষয় | সূরা | আয়াত | সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ফেরেশতাদের সুসংবাদ | সূরা হুদ | ১১:৬৯-৭৩ | ৫ |
| ইবরাহীম (আ.)-এর অতিথি | সূরা আল-হিজর | ১৫:৫১-৫৬ | ৬ |
| দান ও নবুয়ত | সূরা মারইয়াম | ১৯:৪৯-৫০ | ২ |
| নবুয়ত ও কিতাব বংশে | সূরা আল-আনকাবূত | ২৯:২৬-২৭ | ২ |
| সুসংবাদ ও বরকত | সূরা আস-সাফফাত | ৩৭:১১২-১১৩ | ২ |
| আখিরাতের স্মরণ | সূরা সোয়াদ | ৩৮:৪৫-৪৭ | ৩ |
| অতিথিদের কথা | সূরা আয-যারিয়াত | ৫১:২৪-৩০ | ৭ |
যাচাই
১ইসহাক (আ.)-এর সুসংবাদের সাথে আর কার সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল?
তাঁর ছেলে ইয়াকুব (আ.)-এর (১১:৭১)।
২সুসংবাদ শুনে সারা (আ.) কী বলেছিলেন?
"আমি সন্তান জন্ম দেব, অথচ আমি বৃদ্ধা আর আমার স্বামীও বৃদ্ধ?" (১১:৭২)।
সূত্র
- আল-কুরআনুল কারীম
আরবি পাঠ: তানযীল (হাফস)। বাংলা অর্থ: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া, হুবহু। - সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম
বুখারীর নম্বর ফাতহুল বারী অনুযায়ী, মুসলিমের নম্বর মুহাম্মাদ ফুআদ আব্দুল বাকী অনুযায়ী। - তাফসীর ইবনু কাসীর
সংশ্লিষ্ট আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা; ইসরাঈলি বর্ণনা চিনতে ইবনু কাসীরের নিজের মন্তব্যও কাজে লাগে। - কাসাসুল আম্বিয়া ও আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (১ম খণ্ড)
ইবনু কাসীর। আরও পড়ার জন্য; এখানে শুধু কুরআন ও সহিহ হাদিসের অংশ রাখা হয়েছে। - সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দঈফা ওয়াল মাওযূআ
মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী। দুর্বল ও জাল বর্ণনা যাচাইয়ের জন্য।
সাইটের সব সূত্র: সূত্র তালিকা · সূত্র নীতি