deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার

خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ

সংসার: স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানের হক

ধাপ ৬/১৪সংসার জীবনযৌবন ও সংসার

নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সেরা সে, যে নিজের পরিবারের কাছে সেরা। বাইরে ভালো মানুষ হওয়া সহজ; আসল পরীক্ষা ঘরের ভেতরে। এই ধাপে দেখবেন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ ঘরে কেমন ছিলেন।

৪টি অধ্যায়
৪টি আয়াত
৯টি সহিহ হাদিস
৩টি দোয়া

এই পাতার প্রতিটি আয়াত ও হাদিস মূল আরবি সোর্সের সাথে মিলিয়ে দেওয়া; হাদিস শুধু সহিহ ও হাসান। দুর্বল বর্ণনা শুধু "প্রচলিত ভুল" অংশে, মানসহ। আয়াতের অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে হুবহু। সব সূত্র: সূত্র তালিকা।

গল্প দিয়ে শুরু

মরুভূমিতে একটা দৌড় প্রতিযোগিতা

এক সফরে নবী (ﷺ)-এর সাথে ছিলেন আয়েশা (রা.)। কাফেলা থেমেছে। নবীজি বললেন, চলো দৌড় দিই। দুজন দৌড়ালেন, আয়েশা (রা.) জিতে গেলেন।

বছর কয়েক পর আরেক সফর। আয়েশা (রা.)-এর শরীর তখন একটু ভারী হয়েছে। আবার দৌড় হলো, এবার নবীজি জিতলেন। তিনি হেসে বললেন: এটা সেই দিনের শোধ।

أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ قَالَتْ فَسَابَقْتُهُ فَسَبَقْتُهُ عَلَى رِجْلَىَّ فَلَمَّا حَمَلْتُ اللَّحْمَ سَابَقْتُهُ فَسَبَقَنِي فَقَالَ ‏ "‏ هَذِهِ بِتِلْكَ السَّبْقَةِ

এক সফরে আমি নবী (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। আমি তাঁর সাথে দৌড়ালাম এবং জিতে গেলাম। পরে আমার শরীর একটু ভারী হলে আবার দৌড়ালাম, এবার তিনি জিতলেন। তিনি (হেসে) বললেন: এটা সেই দিনের শোধ।

সুনানে আবু দাউদ ২৫৭৮সহিহবর্ণনাকারী: আয়েশা (রা.)

ভাবুন, যিনি একটা জাতির নেতা, সেনাপতি, বিচারক আর আল্লাহর রাসূল, তিনি স্ত্রীর সাথে দৌড়ানোর সময় বের করছেন, বছর পরেও আগের হারের কথা মনে রেখে মজা করছেন। আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নবীজি ঘরে কী করতেন। তিনি বলেছিলেন, ঘরের কাজে পরিবারের সাহায্য করতেন, আর নামাজের সময় হলে নামাজে চলে যেতেন (সহিহ বুখারী ৬৭৬)।

এই ধাপে ৪টি অধ্যায়
১
স্বামীর দায়িত্ব

ঘরে নরম, খরচে উদার, হাতে কখনো আঘাত নয়

নবী (ﷺ) নিজেকেই উদাহরণ বানিয়েছেন: আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের সবার চেয়ে ভালো।

আল্লাহ বলেছেন, স্ত্রীদের সাথে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করো; তাদের কিছু অপছন্দ হলেও হতে পারে আল্লাহ তাতে অনেক কল্যাণ রেখেছেন।

নবীজি সারা জীবনে কখনো কোনো স্ত্রী বা খাদেমকে মারেননি।

পরিবারের জন্য খরচকে তিনি সবচেয়ে বড় সওয়াবের দান বলেছেন, আল্লাহর পথে খরচ আর গরিবকে দানের চেয়েও বেশি।

তোমাদের মধ্যে সেরা সে, যে তার পরিবারের কাছে সেরা; আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের সবার চেয়ে ভালো।

জামে আত-তিরমিযী ৩৮৯৫ সহিহ বর্ণনা: আয়েশা (রা.)
এই অধ্যায়ের আরও ৩টি দলিল

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا ۖ وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ لِتَذْهَبُوا بِبَعْضِ مَا آتَيْتُمُوهُنَّ إِلَّا أَن يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُّبَيِّنَةٍ ۚ وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۚ فَإِن كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَيَجْعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا

হে ঈমানদারগণ! যবরদস্তি করে নারীদের উত্তরাধিকার হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদেরকে যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট খারাপ আচরণ করে। আর তোমরা তাদের সাথে সৎভাবে জীবন যাপন করবে; তোমরা যদি তাদেরকে অপছন্দ কর তবে এমন হতে পারে যে, আল্লাহ্‌ যাতে প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন তোমরা তাকেই অপছন্দ করছ।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজ হাতে কখনো কাউকে মারেননি, না কোনো নারীকে, না কোনো খাদেমকে; শুধু আল্লাহর পথে জিহাদের ময়দান ছাড়া। আর কেউ তাঁর সাথে অন্যায় করলে তিনি নিজের জন্য প্রতিশোধ নেননি; তবে আল্লাহর নিষিদ্ধ সীমা লঙ্ঘন হলে আল্লাহর জন্য ব্যবস্থা নিতেন।

সহিহ মুসলিম ২৩২৮সহিহবর্ণনাকারী: আয়েশা (রা.)

دِينَارٌ أَنْفَقْتَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدِينَارٌ أَنْفَقْتَهُ فِي رَقَبَةٍ وَدِينَارٌ تَصَدَّقْتَ بِهِ عَلَى مِسْكِينٍ وَدِينَارٌ أَنْفَقْتَهُ عَلَى أَهْلِكَ

একটি দীনার তুমি আল্লাহর পথে খরচ করলে, একটি দীনার দাস মুক্ত করতে খরচ করলে, একটি দীনার মিসকিনকে দান করলে, আর একটি দীনার তোমার পরিবারের জন্য খরচ করলে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সওয়াব সেটির, যা তুমি পরিবারের জন্য খরচ করেছ।

সহিহ মুসলিম ৯৯৫সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরায়রা (রা.)
আপনার জীবনেনিজেকে প্রশ্ন করুন: আমার স্ত্রী আর সন্তানরা কি আমাকে "সবচেয়ে ভালো মানুষ" বলবে? এই সপ্তাহে ঘরের একটা কাজ নিয়মিত নিজে করুন, নবীজির সুন্নাহ মনে করে।
২
স্ত্রীর দায়িত্ব

ঘরের দায়িত্বশীল, স্বামীর আমানতের রক্ষক

নবী (ﷺ) বলেছেন, নারী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীল, এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করা হবে (সহিহ বুখারী ৮৯৩)। স্বামী উপস্থিত থাকলে তার অনুমতি ছাড়া নফল রোজা না রাখা, আর তার অপছন্দের কাউকে ঘরে আসতে না দেওয়া স্ত্রীর দায়িত্বের অংশ।

কুরআন স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের "পোশাক" বলেছে: পোশাক যেমন ঢেকে রাখে, সৌন্দর্য দেয় আর রক্ষা করে, দুজনও তেমন।

أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَىٰ نِسَائِكُمْ ۚ هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ ۗ عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَخْتَانُونَ أَنفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنكُمْ ۖ فَالْآنَ بَاشِرُوهُنَّ وَابْتَغُوا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَكُمْ ۚ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ۖ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ ۚ وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَقْرَبُوهَا ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ

সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী-সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পোষাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের পোষাকস্বরূপ। আল্লাহ্‌ জানেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে। সুতরাং তিনি তোমাদের তওবা কবুল করেছেন এবং তোমাদেরকে মার্জনা করেছেন। কাজেই এখন তোমরা তাদের সাথে সংগত হও এবং আল্লাহ্‌ যা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন তা কামনা কর। আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাতের কালোরেখা থেকে উষার সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রকাশ না হয়। তারপর রাতের আগমন পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। আর তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় তাদের সাথে সংগত হয়ো না। এগুলো আল্লাহ্‌র সীমারেখা। কাজেই এগুলোর নিকটবতী হয়ো না। এভাবে আল্লাহ্‌ তাঁর আয়াতসমূহ মানুষদের জন্য সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেন, যাতে তারা তাকওয়ার অধিকারী হতে পারে।

সূরা আল-বাকারা ২:১৮৭
এই অধ্যায়ের আরও ১টি দলিল

لاَ يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُومَ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، وَلاَ تَأْذَنَ فِي بَيْتِهِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ

স্বামী উপস্থিত থাকলে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর জন্য (নফল) রোজা রাখা বৈধ নয়, আর তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে আসতে দেওয়াও বৈধ নয়।

সহিহ বুখারী ৫১৯৫সহিহবর্ণনাকারী: আবু হুরায়রা (রা.)
আপনার জীবনেস্বামী-স্ত্রী একে অপরের দোষ বাইরের মানুষের কাছে বলবেন না; পোশাক দোষ ঢাকে। মতবিরোধ হলে ঘরের ভেতরে শান্তভাবে কথা বলুন।
৩
মানিয়ে চলা

নিখুঁত মানুষ খুঁজবেন না

নবী (ﷺ) পুরুষদের বিশেষভাবে উপদেশ দিয়েছেন নারীদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে। তিনি উপমা দিয়েছেন পাঁজরের বাঁকা হাড়ের: জোর করে সোজা করতে গেলে ভাঙবে। অর্থাৎ ভিন্ন স্বভাবকে মেনে নিয়ে নরমভাবে চলতে হবে।

স্ত্রীর মুখে তুলে দেওয়া এক লোকমা খাবারও আল্লাহর কাছে সওয়াবের কাজ।

নারীদের সাথে ভালো ব্যবহারের উপদেশ গ্রহণ করো। তাদের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে, আর পাঁজরের সবচেয়ে বাঁকা অংশ তার উপরের অংশ। তুমি জোর করে সোজা করতে গেলে ভেঙে ফেলবে, আর ছেড়ে দিলে বাঁকাই থাকবে।

সহিহ বুখারী ৫১৮৬ সহিহ বর্ণনা: আবু হুরায়রা (রা.)
এই অধ্যায়ের আরও ১টি দলিল

إِنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ إِلَّا أُجِرْتَ عَلَيْهَا حَتَّى مَا تَجْعَلُ فِي فَمِ امْرَأَتِكَ

তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা-ই খরচ করবে, তার প্রতিদান পাবে; এমনকি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমা তুলে দাও, তারও।

সহিহ বুখারী ৫৬সহিহবর্ণনাকারী: সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা.)
আপনার জীবনেজীবনসঙ্গীর একটা অভ্যাস আপনার ভালো লাগে না? আজ তার তিনটা ভালো গুণ লিখুন। কুরআন বলেছে, যা অপছন্দ তাতেও কল্যাণ থাকতে পারে (সূরা আন-নিসা ৪:১৯)।
৪
সন্তান

সন্তান লালনে মা-বাবা দুজনেরই দায়িত্ব

সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব কুরআন দিয়েছে বাবা-মা দুজনকেই (সূরা আত-তাহরীম ৬৬:৬)। নবী (ﷺ) মেয়েদের লালন-পালনকে জান্নাতে তাঁর পাশে থাকার উপায় বলেছেন।

আর সংসারের সবচেয়ে সুন্দর দোয়াটা কুরআনেই আছে: হে আমাদের রব, আমাদের স্ত্রী-স্বামী ও সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন, আর আমাদের মুত্তাকীদের নেতা বানান।

وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

এবং যারা প্রার্থনা করে বলে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো। আর আপনি আমাদেরকে করুন মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।

সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭৪
এই অধ্যায়ের আরও ১টি দলিল

مَنْ عَالَ جَارِيَتَيْنِ حَتَّى تَبْلُغَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَا وَهُوَ ‏"‏ ‏.‏ وَضَمَّ أَصَابِعَهُ

যে ব্যক্তি দুটি মেয়েকে বড় হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করে, কিয়ামতের দিন সে আর আমি এভাবে (পাশাপাশি) আসব। এই বলে তিনি নিজের আঙুলগুলো মিলিয়ে দেখালেন।

সহিহ মুসলিম ২৬৩১সহিহবর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রা.)
আপনার জীবনেপ্রতিদিন নামাজের পর পরিবারের জন্য এই দোয়াটা পড়ুন। সপ্তাহে একদিন পরিবারের সবাই মিলে বসুন: কুরআনের একটা আয়াত বা একটা হাদিস নিয়ে পাঁচ মিনিট।

দোয়া, আমল ও যাচাই

এই ধাপের দোয়া, আমলের চেকলিস্ট, প্রচলিত ভুল আর নিজেকে যাচাই

দোয়া

চোখ জুড়ানো পরিবার

وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا ﴿٧٤﴾

এবং যারা প্রার্থনা করে বলে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো। আর আপনি আমাদেরকে করুন মুত্তাকীদের জন্য অনুসরণযোগ্য।

সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭৪
নিজের ও সন্তানদের নামাজি হওয়ার দোয়া

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿٤٠﴾

‘হে আমার রব! আমাকে সালাত কয়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য হতেও। হে আমাদের রব! আর আমার দো’আ কবূল করুন।

সূরা ইবরাহীম ১৪:৪০
নবদম্পতির দোয়া

كَانَ إِذَا رَفَّأَ الإِنْسَانَ إِذَا تَزَوَّجَ قَالَ ‏ "‏ بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

কেউ বিয়ে করলে নবী (ﷺ) তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলতেন: "বারাকাল্লাহু লাকা, ওয়া বারাকা আলাইকা, ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইর" (আল্লাহ তোমার জন্য বরকত দিন, তোমার উপর বরকত দিন, আর তোমাদের দুজনকে কল্যাণের মধ্যে একত্র রাখুন)।

সুনানে আবু দাউদ ২১৩০ সহিহ

কুরআনের দোয়ার অর্থ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়ার অনুবাদ থেকে; হাদিসের দোয়ার সাথে মূল গ্রন্থের নম্বর ও মান দেওয়া আছে।

সুন্নাহর আলোয় জীবন: সব ধাপ

deenpedia.com · https://deenpedia.com/jibon/songshar/
deenpediaকুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার
deenpedia.com · কুরআন ও সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য পাঠাগার