وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ
কাবা পুনর্নির্মাণ ও হাজরে আসওয়াদ: রক্তপাত থেকে বাঁচাল এক চাদর
কাবা নতুন করে বানানো শেষ, এখন হাজরে আসওয়াদ বসানোর পালা। কোন গোত্র এই সম্মান পাবে, তা নিয়ে তলোয়ার বেরিয়ে আসার উপক্রম। শেষে এক চাদর আর একজন বিশ্বস্ত মানুষের বুদ্ধিতে সবাই শান্ত হলো।
সীরাত · নবুয়তের আগে৬০৫ খ্রি. · ৩৫ বছর
- কখন
- আনুমানিক ৬০৫ খ্রি., নবুয়তের প্রায় পাঁচ বছর আগে
- কোথায়
- মক্কা, কাবা ঘর
- কারা ছিলেন
- কুরাইশের সব গোত্র, চাচা আব্বাস, ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা, আবু উমাইয়া
- এই গল্পে
- কাবা ভাঙা থেকে হাজরে আসওয়াদ স্থাপন, আর পরবর্তী ইতিহাস
কেন পড়বেন: ঝগড়া থামানো, সবাইকে সম্মান দিয়ে মীমাংসা করা, আর ঐক্যের জন্য নিজের পছন্দের জিনিসও ছেড়ে দেওয়া: পরিবার, মসজিদ আর সমাজে আজ এই শিক্ষাগুলো সবচেয়ে বেশি দরকার।
গল্প
বর্ণনার ভাষা আমাদের; প্রতিটি তথ্য নিচের সূত্র থেকে। প্রতিটি সূত্রের পাশে তার মান দেওয়া আছে, যাতে বোঝা যায় কোনটি সহিহ হাদিস আর কোনটি সীরাত গ্রন্থের ঐতিহাসিক বর্ণনা।
- ১
৬০৫ খ্রি.
জীর্ণ কাবা
ইবরাহীম ও ইসমাঈল (আ.)-এর বানানো কাবার তখন ছাদ ছিল না, দেয়াল মানুষের উচ্চতার চেয়ে সামান্য উঁচু। কাবার ভেতরের সম্পদও একবার চুরি হয়েছিল। তার উপর এক বন্যায় দেয়ালে ফাটল ধরল। কুরাইশরা ঠিক করল, কাবা ভেঙে নতুন করে, উঁচু করে, ছাদসহ বানাবে।
এই সময় জেদ্দার উপকূলে একটি জাহাজ ভেঙে পড়ল। কুরাইশরা তার কাঠ কিনে নিল ছাদের জন্য; জাহাজে বাকুম নামে এক রোমান কাঠমিস্ত্রিও ছিল, সে কাজে সাহায্য করল।
সূত্রইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: কাবা পুনর্নির্মাণের কারণ ও প্রস্তুতি ঐতিহাসিক বর্ণনাসূরা আল-বাকারা ২:১২৭ কুরআন
আল্লাহর ঘরের সেবায় অংশ নেওয়াকে জাহিলিয়াতের মানুষও সবচেয়ে বড় সম্মান মনে করত।
- ২
নির্মাণের শুরুতে
শুধু হালাল টাকা
কাজ শুরুর আগে কুরাইশের একজন, আবু ওয়াহব ইবনে আমর, দাঁড়িয়ে বললেন: আল্লাহর ঘরে শুধু পবিত্র উপার্জন দেবে; ব্যভিচারের আয়, সুদের টাকা, কারও উপর জুলুম করে নেওয়া সম্পদ এতে দেবে না।
সবাই মেনে নিল। কিন্তু হালাল টাকা কম পড়ে গেল। তাই ইবরাহীম (আ.)-এর ভিত্তির পুরো জায়গা জুড়ে বানানো গেল না; উত্তর দিকের একটি অংশ বাইরে রয়ে গেল, যা আজ নিচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা "হাতীম" বা "হিজর"। নবীজি (ﷺ) পরে আয়েশাকে (রা.) এ কথা বলেছেন:
আমি নবীজি (ﷺ)-কে (কাবার পাশের) দেয়ালঘেরা অংশ (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম: এটা কি কাবার অংশ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। বললাম: তাহলে তারা একে কাবার ভেতরে নিল না কেন? বললেন: তোমার জাতির (হালাল) খরচ কম পড়ে গিয়েছিল। বললাম: দরজা এত উঁচু কেন? বললেন: তোমার জাতি এমন করেছে, যাতে যাকে ইচ্ছা ঢুকতে দেয়, যাকে ইচ্ছা আটকায়। তোমার জাতি জাহিলিয়াত ছেড়েছে অল্প দিন হলো; তাদের মন খারাপ হয়ে যাওয়ার ভয় না থাকলে আমি হাতীমকে কাবার ভেতরে নিতাম আর দরজা মাটির সমান করে দিতাম।
সূত্রইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: আবু ওয়াহবের ঘোষণা ঐতিহাসিক বর্ণনাসহিহ বুখারী ১৫৮৪ সহিহ
যারা আল্লাহকে চিনত না, তারাও বুঝত হারাম টাকা দিয়ে আল্লাহর ঘর হয় না। আমাদের দান, সদকা আর মসজিদের টাকা কতটা পবিত্র?
- ৩
ভাঙার দিন
প্রথম আঘাত কে দেবে
কাবা ভাঙতে সবাই ভয় পাচ্ছিল; আবরাহার পরিণতি তাদের চোখের সামনে। শেষে ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা কোদাল হাতে এগিয়ে গেলেন, দোয়া করে কিছু অংশ ভাঙলেন। বাকিরা অপেক্ষা করল, রাতে তাঁর কিছু হয় কি না। সকালে তাঁকে সুস্থ দেখে সবাই ভাঙার কাজে যোগ দিল।
ভাঙতে ভাঙতে তারা পৌঁছাল ইবরাহীম (আ.)-এর ভিত্তিতে: উটের কুঁজের মতো সবুজাভ বড় বড় পাথর, একটার সাথে আরেকটা জোড়া। সেখানে তারা থেমে গেল, আর সেই ভিত্তির উপরই নতুন দেয়াল তুলল।
সূত্রইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: কাবা ভাঙা ও ইবরাহীমের ভিত্তি ঐতিহাসিক বর্ণনাসহিহ বুখারী ১৫৮৬ (ইবনুয যুবাইরের সময় ভিত্তির পাথর "উটের কুঁজের মতো") সহিহ
কাবার ভিত্তি আজও ইবরাহীম (আ.)-এর রাখা পাথর। তাওহীদের ঘর দাঁড়িয়ে আছে তাওহীদের ভিত্তিতে।
- ৪
নির্মাণের সময়
কাঁধে পাথর, অটুট লজ্জা
পঁয়ত্রিশ বছরের মুহাম্মাদ (ﷺ) অন্যদের সাথে পাথর বহন করছিলেন। জাবির (রা.) বর্ণনা করেছেন:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের সাথে কাবার জন্য পাথর বহন করছিলেন, পরনে ছিল লুঙ্গি (ইযার)। চাচা আব্বাস বললেন: ভাতিজা, লুঙ্গিটা খুলে কাঁধে রাখলে পাথরের ঘষা থেকে বাঁচতে। তিনি তা খুলে কাঁধে রাখতেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। এরপর আর কখনো তাঁকে অনাবৃত দেখা যায়নি।
সে যুগে কাজের সময় অনেকে কাপড় খুলে কাঁধে রাখত, কেউ কিছু মনে করত না। কিন্তু নবুয়তের আগেই আল্লাহ তাঁকে এই অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করলেন।
সূত্রসহিহ বুখারী ৩৬৪ সহিহসহিহ বুখারী ১৫৮২ ও ৩৮২৯ (একই ঘটনা, "আমার লুঙ্গি, আমার লুঙ্গি") সহিহ
লজ্জা ঈমানের অংশ (সহিহ বুখারী ২৪)। সবাই যা করে, তা-ই ঠিক নয়।
- ৫
দেয়াল ওঠার পর
হাজরে আসওয়াদ নিয়ে রক্তের শপথ
দেয়াল উঠে গেল হাজরে আসওয়াদ রাখার উচ্চতা পর্যন্ত। এই পাথর জান্নাত থেকে আসা (জামে আত-তিরমিযী ৮৭৭), আর একে জায়গামতো বসানো ছিল সবচেয়ে বড় সম্মান। প্রতিটি গোত্র চাইল সম্মানটা তারাই পাবে। চার-পাঁচ দিন ঝগড়া চলল। বনু আবদিদ দার রক্তভর্তি একটি পাত্র এনে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত লড়ার শপথ নিল। মক্কায় যুদ্ধ লাগার উপক্রম।
তখন কুরাইশের প্রবীণ আবু উমাইয়া ইবনুল মুগীরা প্রস্তাব দিলেন: এখন বনু শাইবার দরজা দিয়ে মসজিদে যে প্রথম ঢুকবে, সে-ই ফয়সালা করবে। সবাই রাজি হলো, আর দরজার দিকে তাকিয়ে রইল।
সূত্রইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: হাজরে আসওয়াদ নিয়ে বিরোধ ঐতিহাসিক বর্ণনাজামে আত-তিরমিযী ৮৭৭ সহিহ
সামান্য সম্মানের লড়াই কীভাবে রক্তপাতের কিনারে নিয়ে যায়। অহংকারই ঝগড়ার আসল আগুন।
- ৬
সেদিন
একটি চাদর, চার কোণে চার গোত্র
দরজা দিয়ে প্রথম ঢুকলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)। তাঁকে দেখে সবাই বলে উঠল:
এ তো আল-আমীন! আমরা রাজি, এ তো মুহাম্মাদ।
তিনি একটি চাদর আনতে বললেন। চাদর বিছিয়ে নিজ হাতে হাজরে আসওয়াদ তার মাঝখানে রাখলেন। তারপর বললেন, প্রতিটি গোত্রের একজন করে চাদরের এক এক কোণ ধরুন। সবাই মিলে চাদর তুলে পাথরটি জায়গার কাছে নিয়ে গেল, আর তিনি নিজ হাতে পাথরটি জায়গামতো বসিয়ে দিলেন। কারও সম্মান কমল না, এক ফোঁটা রক্তও ঝরল না।
সূত্রইবনে হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: নবীজির (ﷺ) মীমাংসা ঐতিহাসিক বর্ণনাইবনে কাসীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া: কাবা নির্মাণ ঐতিহাসিক বর্ণনা
ভালো মীমাংসায় কেউ হারে না। সবাইকে কাজে অংশ দিয়ে তিনি সবাইকে জিতিয়ে দিলেন।
- ৭
মক্কা বিজয়ের পর
পঁচিশ বছর পরের একটি ইচ্ছা
নবী হিসেবে মক্কা বিজয়ের পর তিনি চাইলে কাবা নতুন করে ইবরাহীম (আ.)-এর পূর্ণ ভিত্তিতে বানাতে পারতেন। মনেও চেয়েছিলেন। কিন্তু করলেন না:
لَوْلاَ حَدَاثَةُ عَهْدِ قَوْمِكِ بِالْكُفْرِ لَنَقَضْتُ الْكَعْبَةَ وَلَجَعَلْتُهَا عَلَى أَسَاسِ إِبْرَاهِيمَ فَإِنَّ قُرَيْشًا حِينَ بَنَتِ الْبَيْتَ اسْتَقْصَرَتْ وَلَجَعَلْتُ لَهَا خَلْفًا
তোমার জাতি কুফর ছেড়েছে অল্প দিন হলো; তা না হলে আমি কাবা ভেঙে ইবরাহীমের ভিত্তির উপর বানাতাম। কুরাইশরা যখন বানিয়েছিল, তখন ছোট করে ফেলেছিল। আর আমি এর পেছনেও একটি দরজা রাখতাম।
মানুষ সবে ইসলামে এসেছে; কাবা ভাঙলে তাদের মনে সন্দেহ ও অস্থিরতা তৈরি হতে পারত। তাই তিনি একটি ভালো কাজও ছেড়ে দিলেন, ঐক্যের জন্য। পরে আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রা.) এই হাদিস অনুযায়ী কাবা বানান, কিন্তু হাজ্জাজ আবার আগের মতো করে দেয়; সেই রূপই আজকের কাবা।
সূত্রসহিহ মুসলিম ১৩৩৩ সহিহসহিহ মুসলিম ১৩৩৩ (ইবনুয যুবাইর ও হাজ্জাজের বর্ণনা) সহিহ
সব ঠিক জিনিস সব সময় করতে নেই। মানুষের মন বুঝে, বিভেদ এড়িয়ে চলা নবীজির (ﷺ) হিকমত।
প্রচলিত কিন্তু প্রমাণিত নয়
এই ঘটনা নিয়ে ওয়াজ আর বইয়ে অনেক কথা ছড়ানো আছে। নিচের কথাগুলোর সূত্র দুর্বল বা নেই; ভালোবাসার জায়গা থেকে বলা হলেও নবীজির (ﷺ) নামে অপ্রমাণিত কথা বলা থেকে সাবধান থাকা জরুরি (সহিহ বুখারী ১১০)।
ভুল ধারণা হাজরে আসওয়াদ নিজে উপকার বা ক্ষতি করতে পারে, তাই তার কাছে চাওয়া
হাজরে আসওয়াদ জান্নাতের পাথর, তাতে চুমু দেওয়া সুন্নাহ; কিন্তু তা কারও উপকার বা ক্ষতি করে না। উমার (রা.) চুমু দিয়ে বলেছিলেন: আমি জানি তুমি একটি পাথর, ক্ষতিও করো না, উপকারও না; নবীজিকে (ﷺ) চুমু দিতে না দেখলে আমি দিতাম না (সহিহ বুখারী ১৫৯৭)।
ভুল বোঝা নবীজি (ﷺ) নিজের হাতে একা পাথর বসিয়ে সম্মানটা নিজের করে নিয়েছিলেন
বর্ণনায় আছে, তিনি সব গোত্রকে চাদরের কোণ ধরিয়ে পাথর তুলিয়েছিলেন, শেষে শুধু জায়গামতো বসিয়েছেন; সালিশ হিসেবে এটাই ছিল সবার সম্মতির ফয়সালা। উদ্দেশ্য ছিল সবাইকে সম্মান দেওয়া, নিজের নয়।
এই গল্প থেকে আমার জীবনে
গল্প পড়ার উদ্দেশ্য শুধু জানা নয়, জীবনে আনা। একটি বেছে নিয়ে আজই শুরু করুন; অল্প হলেও নিয়মিত আমল আল্লাহর কাছে প্রিয়।
মানুষের মাঝে মীমাংসা
নবীজি (ﷺ) এক চাদরে কুরাইশের রক্তপাত থামিয়েছিলেন। মানুষের সম্পর্ক ঠিক করে দেওয়ার মর্যাদা নফল রোজা, নামাজ ও দানের চেয়েও বেশি।
আজকের কাজ: পরিচিত দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য থাকলে আজ সুন্দর কথায় মিলিয়ে দেওয়ার একটা চেষ্টা করুন।
সূরা আল-হুজুরাত ৪৯:১০ কুরআনসুনানে আবু দাউদ ৪৯১৯ সহিহ
দানে শুধু হালাল টাকা
জাহিলিয়াতের মানুষও কাবায় হারাম টাকা দেয়নি। আল্লাহ পবিত্র, পবিত্র জিনিস ছাড়া কবুল করেন না।
আজকের কাজ: মসজিদ, মাদরাসা বা সদকায় দেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন টাকাটা হালাল; সন্দেহের টাকা আগে শুধরে নিন।
সহিহ মুসলিম ১০১৫ সহিহ
লজ্জাশীলতা
নবুয়তের আগেই আল্লাহ তাঁকে অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করেছেন। লজ্জা ঈমানের অংশ।
আজকের কাজ: আজ পোশাক, দৃষ্টি আর অনলাইনে যা দেখেন, তাতে একটু বেশি লজ্জাশীল হওয়ার নিয়ত করুন।
সহিহ বুখারী ৩৬৪ সহিহসহিহ বুখারী ২৪ সহিহ
ঐক্যের জন্য ছাড় দেওয়া
নবীজি (ﷺ) কাবা নতুন করে বানানোর ইচ্ছাও ছেড়ে দিয়েছিলেন, যাতে মানুষের মনে বিভেদ না আসে।
আজকের কাজ: পরিবার বা মসজিদে ছোটখাটো মতভেদে জেদ না ধরে নরম পথটি বেছে নিন।
সহিহ মুসলিম ১৩৩৩ সহিহ
সামান্য সম্মান নিয়ে কুরাইশ যুদ্ধের কিনারে পৌঁছেছিল, আর একজন বিশ্বস্ত মানুষ এক চাদরে সবাইকে মিলিয়ে দিলেন। আপনার পরিবারে বা আশেপাশে এমন কোন ঝগড়া আছে, যেখানে আপনি সেই চাদর হতে পারেন?
সূত্রের মান কীভাবে দেখানো হয়েছে
- কুরআন সবচেয়ে নিশ্চিত সূত্র।
- সহিহ হাসান হাদিস বিশারদদের যাচাইয়ে গ্রহণযোগ্য হাদিস; আকীদা ও আমলে দলিল।
- ঐতিহাসিক বর্ণনা ইবনে ইসহাক, ইবনে হিশাম, ইবনে সাদ, তাবারী, ইবনে কাসীরের মতো প্রাচীন সীরাত ও ইতিহাস গ্রন্থের বর্ণনা, যার সনদ নেই বা দুর্বল, কিন্তু কুরআন-সুন্নাহর বিরোধী নয়; সীরাতবিদরা ইতিহাস হিসেবে নিয়েছেন। এ দিয়ে আকীদা বা বিধান প্রমাণ করা হয় না।
- মান নিয়ে মতভেদ মুহাদ্দিসদের কেউ গ্রহণযোগ্য, কেউ দুর্বল বলেছেন; দুই মতই উল্লেখ করা হয়।
- দুর্বল জাল / ভিত্তিহীন প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়; শুধু সতর্ক করতে উল্লেখ।
সূত্র বাছাইয়ের পুরো নিয়ম: সূত্র নীতি।