কুরআন পড়া শিখুন · পাঠ ৭ / ৮অগ্রসর
শব্দ, আয়াত ও থামার চিহ্ন
হরফ, হরকত, জযম, তাশদীদ আর মাদ্দ শেখা হলে এবার পুরো শব্দ আর আয়াত পড়ার পালা। দুটি জিনিস জানলেই পড়া অনেক সহজ হয়: আল-এর লাম, আর থামার নিয়ম।
بِسْمِ اللَّهِ
উদাহরণ
আল-এর লাম: পড়বেন, নাকি না
শব্দের শুরুতে ال থাকলে পরের হরফ দেখুন। পরের হরফে তাশদীদ থাকলে লাম পড়া হয় না: الشَّمْسُ "আশ-শামসু" (এমন ১৪টি হরফকে শামসি বলে)। লামে জযম থাকলে লাম পড়া হয়: الْقَمَرُ "আল-ক্বামারু" (কামারি)।
আয়াতের শেষে থামা
আয়াতের শেষে গোল চিহ্নে () থামা উত্তম। থামলে শেষ হরফের হরকত বাদ দিয়ে সাকিন করুন: الرَّحِيمِ হয় "আর-রহীম"।
মুসহাফের থামার চিহ্ন
- مـ: অবশ্যই থামুন, না থামলে অর্থ বদলে যেতে পারে।
- لا: এখানে থামবেন না।
- ج: থামা বা না থামা দুটোই চলে।
- صلى: মিলিয়ে পড়া ভালো।
- قلى: থামা ভালো।
চিহ্নগুলো মদিনার মুসহাফের প্রচলিত নিয়মে; উপমহাদেশের ছাপা কুরআনে কিছু চিহ্ন একটু ভিন্ন হতে পারে।
ধীরে, স্পষ্ট করে
أَوْ زِدْ عَلَيْهِ وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا
অথবা তার চেয়েও একটু বাড়ান। আর কুরআন তিলাওয়াত করুন ধীরে ধীরে সুস্পষ্টভাবে;
আজকের অনুশীলন: বিসমিল্লাহ আর সূরা আল-ফাতিহা শব্দে শব্দে ভেঙে পড়ুন, তারপর আয়াতে আয়াতে থেমে পুরোটা।
বাংলা অক্ষরে আরবির সব আওয়াজ পুরোপুরি ধরা যায় না; উচ্চারণ এখানে শুধু কাছাকাছি ধারণা। প্রতিটি সূরার পাতায় ▶ বোতামে তিলাওয়াত শুনে মিলিয়ে নিন।