কুরআন পড়া শিখুন · পাঠ ৬ / ৮মাঝারি
মাদ্দ: টেনে পড়া
কিছু জায়গায় হরকত দুই গুণ লম্বা করে টেনে পড়তে হয়। একে মাদ্দ বলে। তিনটি হরফ টানার কাজ করে: আলিফ, ইয়া আর ওয়াও।
بَا بِي بُو
উদাহরণ
তিনটি নিয়ম
- যবরের পরে আলিফ: بَا "বা-"
- যেরের পরে সাকিন ইয়া: بِي "বী-"
- পেশের পরে সাকিন ওয়াও: بُو "বূ-"
এই সাধারণ মাদ্দ দুই হরকত পরিমাণ, মানে আঙুল দুইবার ভাঁজ করার সময়টুকু।
খাড়া যবর আর মাদ্দ চিহ্ন
কোথাও আলিফ লেখা না থেকে ছোট খাড়া দাগ থাকে (هٰذَا "হা-যা", الرَّحْمٰنِ "আর-রহমা-নি"); সেখানেও দুই হরকত টানুন। আর মাদ্দের পরে হামযা বা সাকিন এলে, যেখানে সাধারণত ওপরে ঢেউয়ের মতো চিহ্ন (آ) থাকে, আরও লম্বা হয় (চার থেকে ছয় হরকত)। এই অংশ শিক্ষকের কাছে শুনে শিখুন।
নবীজি (ﷺ) যেভাবে পড়তেন
كَانَتْ مَدًّا. ثُمَّ قَرَأَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، يَمُدُّ بِبِسْمِ اللَّهِ، وَيَمُدُّ بِالرَّحْمَنِ، وَيَمُدُّ بِالرَّحِيمِ
আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, নবী (ﷺ)-এর কুরআন পড়া কেমন ছিল? তিনি বললেন: টেনে টেনে (মাদ্দ করে)। তারপর তিনি "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম" পড়ে দেখালেন: "বিসমিল্লাহ" টেনে পড়লেন, "আর-রহমান" টেনে পড়লেন, "আর-রহীম" টেনে পড়লেন।
আজকের অনুশীলন: সূরা আল-ফাতিহা ধীরে পড়ুন আর প্রতিটি মাদ্দে আঙুল দুইবার ভাঁজ করুন। তারপর শাইখের তিলাওয়াত শুনে মিলিয়ে নিন।
বাংলা অক্ষরে আরবির সব আওয়াজ পুরোপুরি ধরা যায় না; উচ্চারণ এখানে শুধু কাছাকাছি ধারণা। প্রতিটি সূরার পাতায় ▶ বোতামে তিলাওয়াত শুনে মিলিয়ে নিন।