কুরআন পড়া শিখুন · পাঠ ৩ / ৮শুরু
তানবীন
হরকত দুইবার লেখা থাকলে তাকে তানবীন বলে। তানবীন শুধু শব্দের শেষে আসে, আর পড়ার সময় শেষে একটা "ন" যোগ হয়।
بً بٍ بٌ
উদাহরণ
তিন রকম তানবীন
- দুই যবর بً: বান
- দুই যের بٍ: বিন
- দুই পেশ بٌ: বুন
দুই যবরের পরে সাধারণত একটা আলিফ লেখা থাকে (حَسَنًا)। মাঝে পড়ার সময় সেই আলিফ পড়া হয় না: হাসানান।
থামলে কী হয়
শব্দের শেষে থামলে তানবীনের "ন" বাদ যায়। দুই যবরে থামলে "আ" একটু টেনে পড়ুন: حَسَنًا হয় "হাসানা"। দুই যের বা দুই পেশে থামলে শেষ হরফ সাকিন (হরকতহীন) হয়: أَحَدٌ হয় "আহাদ"।
প্রতিটি হরফে নেকি
مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا لاَ أَقُولُ الم حَرْفٌ وَلَكِنْ أَلِفٌ حَرْفٌ وَلاَمٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ
যে আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পড়ে, তার জন্য একটি নেকি, আর একটি নেকি দশ গুণ। আমি বলি না "আলিফ-লাম-মীম" একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।
আজকের অনুশীলন: একটা হরফ বেছে নিয়ে ছয়বার পড়ুন: বা-বি-বু, তারপর বান-বিন-বুন। পার্থক্যটা কানে ধরা পড়লে পাঠ শেষ।
বাংলা অক্ষরে আরবির সব আওয়াজ পুরোপুরি ধরা যায় না; উচ্চারণ এখানে শুধু কাছাকাছি ধারণা। প্রতিটি সূরার পাতায় ▶ বোতামে তিলাওয়াত শুনে মিলিয়ে নিন।