হাদিস · সহিহ বুখারী
বনু কুরাইযা নিজেরাই সাদ ইবনু মুআয (রা.)-কে বিচারক মানল
نَزَلَ أَهْلُ قُرَيْظَةَ عَلَى حُكْمِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ، فَأَرْسَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى سَعْدٍ، فَأَتَى عَلَى حِمَارٍ، فَلَمَّا دَنَا مِنَ الْمَسْجِدِ قَالَ لِلأَنْصَارِ " قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ ـ أَوْ ـ خَيْرِكُمْ ". فَقَالَ " هَؤُلاَءِ نَزَلُوا عَلَى حُكْمِكَ ". فَقَالَ تَقْتُلُ مُقَاتِلَتَهُمْ وَتَسْبِي ذَرَارِيَّهُمْ. قَالَ " قَضَيْتَ بِحُكْمِ اللَّهِ
বনু কুরাইযা সাদ ইবনু মুআযের ফয়সালা মেনে নিয়ে (দুর্গ থেকে) নেমে এল। নবী (ﷺ) সাদকে ডেকে পাঠালেন; তিনি গাধায় চড়ে এলেন। মসজিদের কাছে এলে নবীজি আনসারদের বললেন: তোমাদের নেতার (বা শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির) দিকে উঠে যাও। তারপর বললেন: এরা তোমার ফয়সালা মেনে নেমে এসেছে। সাদ বললেন: তাদের যোদ্ধাদের হত্যা করা হবে, আর তাদের শিশু ও নারীদের বন্দি করা হবে। নবীজি বললেন: তুমি আল্লাহর ফয়সালা অনুযায়ী রায় দিয়েছ।
এই হাদিসের শিক্ষা
সাদ ইবনু মুআয (রা.) ছিলেন বনু কুরাইযার পুরোনো মিত্র আওস গোত্রের নেতা; তারা নিজেরাই তাঁকে বিচারক চেয়েছিল। শাস্তি ছিল যুদ্ধের সময় চুক্তি ভেঙে শত্রুর সাথে যোগ দেওয়ার, আর তা যোদ্ধাদের জন্য; শিশু ও নারীদের হত্যা করা হয়নি। এর রায় তাদের নিজেদের কিতাবের যুদ্ধের বিধানের সাথেও মেলে (দ্বিতীয় বিবরণ ২০:১০-১৪)।
সূত্র ও মান
| মুহাদ্দিস | মান |
|---|---|
| ইমাম বুখারী | সহিহ (সহিহ গ্রন্থে সংকলিত) |
এই হাদিস যেসব পাতায় এসেছে
আরবি পাঠ মূল গ্রন্থ থেকে হুবহু; বাংলা অনুবাদ Deenpedia-র নিজস্ব, সহজ ভাষায়।