দ্বীনের পথ · ধাপ ০
নতুন শুরু: নিয়ত ঠিক করা ও তাওবা
দ্বীনের পথে প্রথম কাজ হলো অন্তর ঠিক করা: কেন এই পথে আসছি, আর আগের ভুলগুলো নিয়ে কী করব। সুখবর হলো, যত ভুলই হোক, আল্লাহর ক্ষমার দরজা খোলা।
এই পাতার প্রতিটি আয়াত ও হাদিস মূল আরবি সোর্সের সাথে মিলিয়ে দেওয়া। হাদিসের মান মুহাদ্দিসদের রায় অনুযায়ী। সব মূল গ্রন্থ ও মিলিয়ে দেখার লিংক এক জায়গায়: সূত্র তালিকা।
কেন এই পথ
আল্লাহ মানুষকে একটি উদ্দেশ্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন: তাঁর ইবাদত করা।
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
আর আমি সৃষ্টি করেছি জিন এবং মানুষকে এজন্যেই যে, তারা কেবল আমার ইবাদাত করবে।
দুনিয়ার জীবন একটি পরীক্ষা, কে সবচেয়ে সুন্দর আমল করে তা দেখার জন্য।
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْغَفُورُ
যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য --- কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
ইবাদত মানে শুধু নামাজ-রোজা নয়। কথা, কাজ, উপার্জন, পরিবার, সবকিছু আল্লাহর দেখানো পথে চালানোই ইবাদত। তাই আল্লাহ বলেছেন, পুরোপুরি ইসলামে প্রবেশ করো (সূরা আল-বাকারা ২:২০৮)।
নিয়ত: সব কাজের ভিত্তি
একই কাজ আল্লাহর জন্য করলে তা ইবাদত, আর মানুষকে দেখানোর জন্য করলে তার কোনো মূল্য নেই। তাই প্রতিটি ভালো কাজের আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন: কার জন্য করছি?
إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ إِلَى امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ
সব কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক মানুষ তা-ই পাবে, যার নিয়ত সে করেছে। তাই যার হিজরত দুনিয়া পাওয়ার জন্য বা কোনো নারীকে বিয়ে করার জন্য, তার হিজরত সেদিকেই গণ্য হবে, যেদিকে সে হিজরত করেছে।
নিয়ত অন্তরের সিদ্ধান্ত। মুখে আলাদা কোনো বাক্য উচ্চারণ করার দরকার নেই।
আল্লাহর ক্ষমা কত বড়
অনেকে ভাবেন, "আমি এত গুনাহ করেছি, আমার জন্য আর পথ নেই।" কুরআন এই হতাশাকেই নিষেধ করেছে।
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বলুন, 'হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ---আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না; নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।'
إِلَّا مَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَأُولَـٰئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ ۗ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
তবে যে তাওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকাজ করে, ফলে আল্লাহ্ তাদের গুণাহসমূহ নেক দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আর আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهُ بِاللَّيْلِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ النَّهَارِ وَيَبْسُطُ يَدَهُ بِالنَّهَارِ لِيَتُوبَ مُسِيءُ اللَّيْلِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا
আল্লাহ রাতে তাঁর হাত প্রসারিত করেন, যাতে দিনের গুনাহগার তাওবা করে, আর দিনে হাত প্রসারিত করেন, যাতে রাতের গুনাহগার তাওবা করে, যতদিন না সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হয়।
(নবী ﷺ তাঁর রবের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেন:) এক বান্দা একটি গুনাহ করল, তারপর বলল: হে আল্লাহ, আমার গুনাহ মাফ করে দাও। আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা একটি গুনাহ করেছে, আর সে জানে যে তার একজন রব আছেন, যিনি গুনাহ মাফ করেন এবং গুনাহের জন্য পাকড়াও করেন। তারপর সে আবার গুনাহ করল এবং বলল: হে আমার রব, আমার গুনাহ মাফ করে দাও। আল্লাহ আবার একই কথা বললেন। তারপর সে আবার গুনাহ করল এবং ক্ষমা চাইল। আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা একটি গুনাহ করেছে, আর সে জানে যে তার একজন রব আছেন, যিনি গুনাহ মাফ করেন এবং গুনাহের জন্য পাকড়াও করেন। (যতদিন এভাবে ক্ষমা চাইবে,) যা ইচ্ছা করো, আমি তোমাকে মাফ করে দিয়েছি।
কীভাবে তাওবা করবেন
- গুনাহটা এখনই ছেড়ে দিন। "কাল থেকে ছাড়ব" বলে ফেলে রাখবেন না।
- মনে সত্যিকারের অনুতাপ রাখুন। নবী (ﷺ) বলেছেন, অনুতাপই তাওবা (সুনানে ইবনু মাজাহ ৪২৫২)।
- আর না করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিন। যে পরিবেশ বা সঙ্গ গুনাহের দিকে টানে, তা থেকে দূরে থাকুন।
- মানুষের হক থাকলে ফিরিয়ে দিন বা মাফ চেয়ে নিন। কারও টাকা, জিনিস বা সম্মান নষ্ট করে থাকলে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয় (সহিহ বুখারী ২৪৪৯)।
- চাইলে অজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ে ক্ষমা চান। এটা সহিহ হাদিসে আছে (সুনানে আবু দাউদ ১৫২১), তবে তাওবার শর্ত নয়।
প্রথম চারটি শর্ত ইমাম নববী (রহ.) তাঁর "রিয়াদুস সালেহীন" গ্রন্থের তাওবা অধ্যায়ের শুরুতে কুরআন ও হাদিস থেকে সাজিয়ে লিখেছেন।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ يَوْمَ لَا يُخْزِي اللَّهُ النَّبِيَّ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ ۖ نُورُهُمْ يَسْعَىٰ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمَانِهِمْ يَقُولُونَ رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর---বিশুদ্ধ তাওবা; সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ লাঞ্ছিত করবেন না নবীকে এবং তার সাথে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানে ধাবিত হবে। তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য আমাদের নূরকে পূর্ণতা দান করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।'
يَا أَيُّهَا النَّاسُ تُوبُوا إِلَى اللَّهِ فَإِنِّي أَتُوبُ فِي الْيَوْمِ إِلَيْهِ مِائَةَ مَرَّةٍ
হে মানুষ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো। আমি নিজে দিনে একশো বার তাঁর কাছে তাওবা করি।
নবীজির (ﷺ) জীবন থেকে: শুরুটা ছিল একটি শব্দে
নবুওয়াতের প্রথম দিন হেরা গুহায় জিবরীল (আ.) এসে বললেন: "পড়ো।" নবীজি (ﷺ) ভয় পেয়ে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে ফিরলেন। খাদিজা (রা.) তাঁর ভালো কাজগুলো মনে করিয়ে দিয়ে সাহস দিলেন।
(হেরা গুহায়) ফেরেশতা এসে বললেন: পড়ো। তিনি বললেন: আমি পড়তে জানি না। (নবীজি বলেন) তখন তিনি আমাকে ধরে এমন জোরে চাপ দিলেন যে আমার খুব কষ্ট হলো, তারপর ছেড়ে দিয়ে বললেন: পড়ো। আমি বললাম: আমি পড়তে জানি না। এভাবে তিনবার হলো। তারপর তিনি বললেন: "পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পড়ো, আর তোমার রব মহা দয়ালু।" রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাঁপা হৃদয়ে এই আয়াতগুলো নিয়ে খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ (রা.)-এর কাছে ফিরে এসে বললেন: আমাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দাও, আমাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দাও। তাঁরা ঢেকে দিলেন, শেষে তাঁর ভয় কেটে গেল। তিনি খাদিজাকে ঘটনাটি জানিয়ে বললেন: আমি নিজের ব্যাপারে ভয় পাচ্ছি। খাদিজা (রা.) বললেন: কখনো না! আল্লাহর কসম, আল্লাহ আপনাকে কখনো অপমানিত করবেন না। আপনি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেন, অসহায়ের বোঝা বহন করেন, নিঃস্বকে উপার্জন করে দেন, অতিথির আপ্যায়ন করেন, আর সত্যের পথে আসা বিপদে মানুষকে সাহায্য করেন।
আপনার জীবনে এর মানে: নতুন শুরুতে ভয় বা অনিশ্চয়তা আসা স্বাভাবিক। শুরুটা ছোট হতে পারে। আর পাশে এমন মানুষ রাখুন, যারা ভালো কাজে সাহস দেয়; কারণ মানুষ তার বন্ধুর পথেই চলে (সুনানে আবু দাউদ ৪৮৩৩)।
ধীরে, কিন্তু নিয়মিত
একদিনে সব বদলে ফেলার চেষ্টা করলে অনেকে কয়েক দিনেই ক্লান্ত হয়ে ছেড়ে দেন। নবীজি (ﷺ) শিখিয়েছেন, অল্প হলেও নিয়মিত আমলই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়।
سَدِّدُوا وَقَارِبُوا، وَاعْلَمُوا أَنْ لَنْ يُدْخِلَ أَحَدَكُمْ عَمَلُهُ الْجَنَّةَ، وَأَنَّ أَحَبَّ الأَعْمَالِ أَدْوَمُهَا إِلَى اللَّهِ، وَإِنْ قَلَّ
সঠিক পথে থাকো এবং (পূর্ণতার) কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করো। জেনে রাখো, তোমাদের কাউকে শুধু তার আমল জান্নাতে নিয়ে যাবে না। আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল সেটা, যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়।
إِنَّ الدِّينَ يُسْرٌ، وَلَنْ يُشَادَّ الدِّينَ أَحَدٌ إِلاَّ غَلَبَهُ، فَسَدِّدُوا وَقَارِبُوا وَأَبْشِرُوا، وَاسْتَعِينُوا بِالْغَدْوَةِ وَالرَّوْحَةِ وَشَىْءٍ مِنَ الدُّلْجَةِ
দ্বীন সহজ। যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে নিজের উপর বাড়াবাড়ি চাপিয়ে দেয়, দ্বীন তাকে হারিয়ে দেয় (সে টিকতে পারে না)। তাই সঠিক পথে থাকো, যতটা পারো কাছাকাছি থাকো, সুসংবাদ নাও, আর সকালে, বিকেলে ও রাতের কিছু অংশে (ইবাদত করে) সাহায্য নাও।
তিনি দাওয়াতও দিয়েছেন ধাপে ধাপে: আগে তাওহীদ, তারপর নামাজ, তারপর যাকাত (সহিহ বুখারী ১৩৯৫)। এই পথও সেভাবেই সাজানো।
কোন অবস্থায় কী করবেন
আগে অনেক বড় গুনাহ করেছি। আল্লাহ কি আমাকে মাফ করবেন?
হ্যাঁ, সত্যিকারের তাওবা করলে আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করেন। তিনি নিজেই তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হতে নিষেধ করেছেন (সূরা আয-যুমার ৩৯:৫৩)। যে তাওবা করে, ঈমান আনে ও নেক আমল করে, আল্লাহ তার গুনাহগুলোকে নেকিতে বদলে দেন (সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭০)।
তাওবা করার পর আবার একই ভুল হয়ে গেলে কী করব?
হতাশ হবেন না, আবার সত্যিকারের তাওবা করুন। যে বান্দা বারবার ভুল করে বারবার আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন (সহিহ মুসলিম ২৭৫৮)। তবে প্রতিবার ছেড়ে দেওয়ার আন্তরিক চেষ্টা থাকতে হবে।
কারও টাকা বা হক নষ্ট করেছি। শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে হবে?
না। যার হক নষ্ট করেছেন, তাকে তা ফিরিয়ে দিন বা তার কাছে মাফ চেয়ে নিন, কিয়ামতের আগেই (সহিহ বুখারী ২৪৪৯)। মানুষটিকে খুঁজে না পাওয়ার মতো জটিল অবস্থায় একজন নির্ভরযোগ্য আলেমের কাছে জিজ্ঞেস করুন (সূরা আন-নাহল ১৬:৪৩)।
তাওবার জন্য কি নির্দিষ্ট কোনো দিন বা সময় আছে?
না। রাত-দিন যেকোনো সময় তাওবা করা যায় (সহিহ মুসলিম ২৭৫৯)। শুধু দেরি করবেন না: মৃত্যুযন্ত্রণা শুরু হয়ে গেলে তাওবা আর কবুল হয় না (জামে আত-তিরমিযী ৩৫৩৭)।
প্রচলিত ভুল
✗ "অনেক গুনাহ করেছি, আমার আর ভালো হওয়ার সুযোগ নেই।"
আল্লাহ বলেছেন, তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না; তিনি সব গুনাহ মাফ করেন (সূরা আয-যুমার ৩৯:৫৩)। নিরাশ হওয়াটাই শয়তানের চাওয়া।
✗ "নিয়ত মুখে উচ্চারণ না করলে আমল হয় না।"
নিয়ত অন্তরের কাজ (সহিহ বুখারী ১)। নবীজি (ﷺ) বা সাহাবিদের থেকে নামাজ বা অজুর আগে মুখে নিয়তের বাক্য পড়ার কোনো সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায় না।
✗ "দ্বীন মানলে একসাথে সব করতে হবে, না পারলে শুরু করে লাভ নেই।"
দ্বীন সহজ, আর অল্প হলেও নিয়মিত আমল আল্লাহর কাছে প্রিয় (সহিহ বুখারী ৩৯, সহিহ বুখারী ৬৪৬৪)। ফরজ দিয়ে শুরু করুন, তারপর ধীরে ধীরে বাড়ান।
এই সপ্তাহের আমল
টিক দিলে তা শুধু আপনার ফোনেই থাকবে।
নিজেকে যাচাই করুন
সব কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল (সহিহ বুখারী ১)।
বারবার ফিরে আসা বান্দাকে আল্লাহ ক্ষমা করেন (সহিহ মুসলিম ২৭৫৮)।
মানুষের হক ফিরিয়ে দিতে বা মাফ চেয়ে নিতে হয় (সহিহ বুখারী ২৪৪৯)।